ভালুকের আক্রমণ, বাঁচালেন প্রেমিকা

রোমানিয়ার এক পাহাড়ে হাইকিংয়ে গিয়েছিলেন এক জার্মান তরুণ৷ সঙ্গে তাঁর প্রেমিকা৷ হঠাৎ বুনো ভালুকের আক্রমণ৷ মৃত্যু অনিবার্য৷ তবু বেঁচে গেলেন৷ কারণ, প্রেমিকার উপস্থিত বুদ্ধি!

বার্লিনে পিএইচডি-র ছাত্র আন্ডি বাউয়ার পাঁচ দিনের সফরে রোমানিয়ায় গিয়ে যে এভাবে মৃত্যুর মুখোমুখি হবেন ভাবতেও পারেননি৷ ২৬ বছরের টগবগে তরুণ ভেবেছিলেন গার্লফ্রেন্ডকে নিয়ে আনন্দের কিছু মুহূর্ত কাটাবেন৷ সব ঠিকঠাকই চলছিল৷ কিন্তু কার্পাথিয়ানের পাহাড়ে উঠতে গিয়ে পড়লেন মহাবিপদে৷ আন্ডি জানতেন, সেই পাহাড়ে ভালুক আছে৷ গার্লফ্রেন্ড লারা বুথ ভেবেছিলেন ভালুকদের অজ্ঞান করার জন্য যে স্প্রে ব্যবহার করা হয়, তা সঙ্গে নেবেন৷ কিন্তু আন্ডির মনে হলো, স্প্রে-র বিস্ফোরণে বিপদের আশঙ্কা আছে, সুতরাং না নেয়াই ভালো৷

এখন লাইভ
04:29 মিনিট
Eco Africa | 07.08.2017

Romania's brown bear: Friend or foe?

খুব সাবধানেই পাহাড়ে উঠছিলেন আন্ডি আর লারা৷ কিন্তু হঠাৎ কীভাবে যে একটা বড় ভালুক আর দুটো বাচ্চা সামনে চলে এলো বুঝতেই পারেননি৷ সংবাদমাধ্যমকে অ্যান্ডি বলেছেন, ‘‘আমি হেঁটে যাচ্ছিলাম৷ হঠাৎ যখন চোখে পড়ল ভালুকটা ছুটে আসছে, কী করব ভাবার সময়ই পাইনি৷'' ছুটে এসে আন্ডির পা কামড়ে ধরে ভালুক৷ কয়েক মুহূর্ত কামড়ে ধরে থেকে ছুড়ে ফেলে দেয় দূরে৷ আন্ডি তখন ভয়ে চিৎকার করে সাহায্য চাইছিলেন৷ মাত্র ছয় মিটার পিছনে ছিলেন লারা৷ হঠাৎ বয়ফ্রেন্ডের এ অবস্থা দেখে তিনিও হতবিহ্বল৷ তবে নিজেকে সামলে নিতে দেরি করেননি৷ চিৎকার করে শুধু বলেছিলেন, ‘‘ ওর চোখে আঘাত করো৷'' ব্যস, তাতেই কাজ হলো৷চোখে ঘুষি খেয়ে ছুটে পালালো ভালুক৷

ভালুকের কামড়ে ডান পায়ের অনেকটা মাংস হারিয়েছেন আন্ডি৷ ছুড়ে ফেলায় ভেঙেছে শরীরের তিন জায়গার তিনটি হাড়৷ এখন রোমানিয়ার এক হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে তাঁর৷

ডার্কো ইয়ানেভিচ/এসিবি

ভালোবাসার সম্পর্ক ধরে রাখতে যা করবেন

পার্টনারের কাছ থেকে কী আশা করি আমরা?

প্রথমেই মনে মনে একটা ছবি আঁকুন, ভাবুন, আপনি আপনার স্বামী-স্ত্রী বা সঙ্গীর কাছ থেকে ঠিক কী আশা করেন...৷ কতটা সময় তাঁর সাথে কাটাতে চান বা অবসর সময়ে কী করতে ইচ্ছা করে আপনার৷ বাস্তবে এই মুহূর্তে সবগুলো ইচ্ছাপূরণ হয়ত সম্ভব নয়৷ কিন্তু আপনি যে এ সব বিষয় নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করছেন, সেই ভাবনা বা উপলব্ধিই আপনার মধ্যে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে৷

ভালোবাসার সম্পর্ক ধরে রাখতে যা করবেন

বন্ধুদের জন্য সময় রাখুন

বন্ধুদের জন্যও কিছুটা সময় আলাদা করে রাখুন৷ এমন বন্ধু, যাদের সাথে আপনি গল্প করতে বা কিছুটা সময় কাটতে পারেন৷ এমনটা করলে তা নিঃসন্দেহে পার্টনারশিপের সমস্যায় বা দাম্পত্যজীবনে উপকারে আসবে৷ কারণ মাঝে মাঝে অন্যকিছু করা বা খনিকটা সময় একে অপরের কাছ থেকে আলাদা থাকলে প্রিয়তম বা প্রিয়াকে কাছে পাওয়ার আগ্রহ আরো বাড়িয়ে দেয়৷

Streitendes Paar gestellte Szene

ভালোবাসার সম্পর্ক ধরে রাখতে যা করবেন

যখন অসহ্য হয়ে ওঠে

দাম্পত্যজীবনে প্রায়ই ছোটখাটো ঝগড়া হয়৷ অথবা পরিস্থিতির চাপে অনেকেই তাঁর পছন্দের মানুষটিকে কটুকথা বলে ফেলে বা তাঁর প্রতি খারাপ আচরণ করে ফেলে, যা আপনার সঙ্গীকে আহত করতে পারে৷ অথচ এই আচরণের পিছনে হয়ত আপনার ছোটবেলার কোনো ঘটনা জড়িত৷ সেক্ষেত্রে বিষয়টা নিয়ে দু’জনে আলোচনা করুন এবং এ রকম আচরণের কারণ খুঁজে বের করুন৷ দেখবেন আগামীতে অনেক বেশি সচেতন আচরণ করছেন৷

ভালোবাসার সম্পর্ক ধরে রাখতে যা করবেন

দৈনন্দিন কাজের শক্তি!

মেজাজ খারাপ হলে তার দোষ বা কারণ আমাদের মধ্যে অনেকেই অন্যের ওপর চাপিয়ে দিতে কম-বেশি পছন্দ করি৷ এমনটা না করে আপনার মেজাজ কেমন রাখবেন, তার দায়িত্ব আপনি নিজে নিন৷ সেজন্য খেলাধুলা, ব্যায়াম, নাটক, সিনেমা দেখতে অথবা গান শুনতে পারেন, একা বা কারো সাথে যা আপনাকে আনন্দ দেবে৷ আসলে নিজে খুশি থাকলে ঘরের পরিবেশ যেমন ভালো থাকে, তেমনি তা অন্যের ওপর ভালো প্রভাব ফেলে৷

ভালোবাসার সম্পর্ক ধরে রাখতে যা করবেন

ঘরের পরিবেশকে জীবন্ত করে তুলুন

একজন অন্যজনকে দোষ না দিয়ে দৈনন্দিন জীবনে খানিকটা পরিবর্তন আনুন৷ অর্থাৎ ঘরের পরিবেশকে বন্ধুত্বপূর্ণ করুন৷ ঘরকে একটু অন্যভাবে সাজান, ফুল রাখুন, কাছের বন্ধুদের ডেকে আড্ডা দিন বা গান শুনুন৷ নিজে সুন্দর জামা-কাপড় পরে ফিটফাট থাকুন৷ সোজা কথা – বাড়ির দৈনন্দিন পরিবেশকে জীবন্ত করে তুলতে পারলে, সেটাই হতে পারে ভালোবাসার মন্ত্র, সংসারে শান্তির চাবিকাঠি৷

ভালোবাসার সম্পর্ক ধরে রাখতে যা করবেন

যে আচরণের পরিবর্তন সম্ভব

অনেক সময় রাগের মাথায় বহু দম্পতিকেই একে অপরের ভুল-ক্রুটি বা দোষ বড় করে তুলে ধরতে দেখা যায়৷ কিন্তু সুখি দাম্পত্যজীবনের জন্য সেটা না করে বরং ভালো সময়ে বা সময় বুঝে ঠান্ডা মাথায় আপনার সঙ্গিটিকে বলুন, তাঁর কোন আচরণগুলো আপনাকে কষ্ট দেয়৷ দেখবেন একটু সতর্ক হয়ে চেষ্টা করলেই আস্তে আস্তে এ রকম আচরণ কমে যাবে৷

ভালোবাসার সম্পর্ক ধরে রাখতে যা করবেন

শ্রদ্ধাবোধ

স্বামী-স্ত্রী বা ভালোবাসার সম্পর্ক – যে কোনো সম্পর্কেই একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ না থাকলে তা টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে যায়৷ তাই একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থাকা আরো জরুরি৷ কোনো ব্যাপরে দ্বিমত থাকতেই পারে, সেক্ষেত্রে একে অপরকে কষ্ট না দিয়ে বা ছোট না করে আপনার কথা খুলে বলুন৷ কারণ ভালোবাসার মানুষকে অপমান বা কষ্ট দিলে সম্পর্কে আস্তে আস্তে চিড় ধরতে শুরু করে৷

ভালোবাসার সম্পর্ক ধরে রাখতে যা করবেন

যত্ন করে রাখুন

ভালোলাগা থেকেই তো ‘ভালোবাসার’ জন্ম৷ আর ভালো ও সুস্থ থাকতে চাইলে চাই ভালোবাসা ও তার যত্ন৷ ভুল বোঝাবুঝি বা অতি আবেগী না হয়ে বাস্তববাদী হলে ‘ভালোবাসা’ সহজেই জায়গা পাবে৷ দু’জনের মধ্যে সম্পর্কও হবে মধুময়৷ এ সব পরামর্শগুলো দিয়েছেন জার্মানির ‘পার্টনার থেরাপিস্ট’ বা দাম্পত্যসম্পর্ক বিশেষজ্ঞ ডা. ভল্ফগাং ক্র্যুগার৷

আরো প্রতিবেদন...

8 ছবি
মিডিয়া সেন্টার | 13 মিনিট আগে

মানবসৃষ্ট মরুভূমি!

বিশ্ব | 23 মিনিট আগে

টাইগার টিমকে অভিনন্দন!

আমাদের অনুসরণ করুন