মালয়েশিয়ায় অন্য রকম শিশু আদালত

শিক্ষক ও সমাজসেবক সেজে এক ব্রিটিশ নাগরিক কুয়ালালামপুরে বসে নিপীড়ন করেন বিপুল সংখ্যক শিশুকে৷ সেই ঘটনা প্রকাশ হওয়ার পর গোটা মালয়েশিয়া জুড়ে পড়ে যায় হইচই৷

এছাড়া সার্বিকভাবেও সমাজে শিশুদের প্রতি যৌন নিপীড়ন বাড়ছিল৷ এই অবস্থায় শিশুদের প্রতি এ ধরনের অপরাধের বিচারে মালয় সরকার এমন এক আদালত চালু করেছে, যেটা কেবল দেশটিতেই প্রথম নয়৷ বরং পুরো দক্ষিণ-পূর্বই এশিয়াতেই প্রথম৷ 

শিশুদের যৌন হয়রানির বিচার করতে অনন্য এই ফৌজদারি আদালতে কেবল দ্রুত শুনানির ব্যবস্থাই থাকবে না, বরং ঘটনার হোতাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে অনুকূল এবং নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে৷

সোমবার প্রথম মামলা শুনানির মাধ্যমে এই আদালতের মূল কার্যক্রম শুরু হয়৷ তবে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়েছে আরো আগে, গত ২২ জুন৷ তবে এখনই দেশব্যাপী এই আদালত চালু হচ্ছে না৷ আপাতত পাইলটভিত্তিতে একটি হয়েছে৷ শীঘ্রই সারা দেশেও করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের৷

রাজনীতি

১২

স্লোভেনিয়া শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠার দিক থেকে সেরা দেশগুলোর তালিকা করতে গিয়ে বেঁচে থাকার অধিকার, স্বাস্থ্য অধিকার, শিক্ষা অধিকার, সুরক্ষার অধিকার এবং শিশু অধিকারের জন্য অনুকুল পরিবেশ – এই পাঁচটি বিষয়কে বিবেচনায় নিয়েছে কিডসরাইটস ফাউন্ডেশন৷ সার্বিক বিবেচনায় সেরা হওয়া দেশগুলির তালিকায় দ্বাদশ স্থানে রয়েছে স্লোভেনিয়া৷ মূল তালিকাটি দেখতে উপরে (+) চিহ্নে ক্লিক করুন৷

রাজনীতি

১১

একাদশ স্থানে রয়েছে বেলজিয়াম৷

রাজনীতি

১০

স্লোভেনিয়া আর বেলজিয়ামের ঠিক ওপরেই রয়েছে ফিনল্যান্ড৷

রাজনীতি

০৯

নবম স্থানে রয়েছে উত্তর আফ্রিকার দেশ টিউনিশিয়া৷

রাজনীতি

০৮

ইউরোপ বা অ্যামেরিকার অনেক দেশ স্থান না পেলেও এশিয়ার থাইল্যান্ড কিন্তু ঠিকই জায়গা করে নিয়েছে কিডসরাইটস ফাউন্ডেশনের তালিকায়৷ থাইল্যান্ড রয়েছে অষ্টম স্থানে৷

রাজনীতি

০৭

নাগরিকের সার্বিক জীবনমানের নিশ্চয়তা দেয়ায় সুইডেনের সুনাম আছে৷ শিশু অধিকার রক্ষায়ও অনেক দেশের তুলনায় এগিয়ে আছে তারা৷ এ তালিকায় সুইডেন আছে সাত নম্বরে৷

রাজনীতি

০৬

শিল্প-সাহিত্যের দেশ ফ্রান্সে শিশু অধিকার পরিস্থিতিও ভালোই বলতে হবে৷ তালিকায় ইউরোপের এই দেশটি আছে ষষ্ঠ স্থানে৷

রাজনীতি

০৫

পঞ্চম স্থানে রয়েছে স্পেন৷

রাজনীতি

০৪

চতুর্থ স্থানে আইসল্যান্ড৷

রাজনীতি

০৩

মানবাধিকার বিষয়ক যে কোনো তালিকায় ওপরের দিকেই থাকে সুইজারল্যান্ড৷ এখানে তারা তৃতীয় স্থানে৷

রাজনীতি

০২

কিডসরাইটস ফাউন্ডেশনের সমীক্ষা অনুযায়ী, শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠায় এ মুহূর্তে বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা দেশ নরওয়ে৷

রাজনীতি

০১

সেরা পর্তুগাল শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠায় অর্থের গুরুত্ব অনেক, তবে সরকারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা সবচেয়ে বেশি গরুত্বপূর্ণ৷ সেই বিবেচনায় অনুন্নত বা উন্নয়নশীল দেশও শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য বেশি প্রশংসনীয় হতে পারে৷ কিডসরাইটস ফাউন্ডেশন এভাবে পুরো বিষয়টিকে বিশ্লেষণ করে বলে সেরাদের তালিকায় উঠে গেছে এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ড৷

এই ধরনের ঘটনার শিকার শিশুরা এক ধরণের ট্রমার মধ্য দিয়ে যায়৷ বিচার চলাকালে ঘটনা মনে করতে গেলেও তাদের ট্রমা বেড়ে যেতে পারে৷ তাই দরকার বিশেষ ব্যবস্থা আর সতর্ক পদক্ষেপের৷ তাতে ভয়ংকর অভিজ্ঞতার আতঙ্ক থেকে তাঁরা বের হয়ে যেতে পারে৷

এই সব বিষয়কে মাথায় রেখেই গড়ে তোলা হয়েছে এই আদালত৷ যা একদিকে দ্রুততম সময়ে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করবে, অন্যদিকে ভিক্টিমদেরকে ভয়ংকর অভিজ্ঞতা থেকে বের হয়ে আসতে সাহায্য করবে৷

এ বছর দেশটির সংসদ শিশুদের বিরুদ্ধে যৌন অপরাধ আইন পাস করেছে৷ এই আইনের অধীনেই এই আদালত গঠন করা হয়েছে৷ এখানে শিশু পর্নোগ্রাফি, শিশুদের সঙ্গে এমন সম্পর্ক স্থাপন করা, যা নিপীড়নের দিকে নিয়ে যেতে পারে – এটাও এই আইনের অধীনে বিচার করা যাবে৷

সাম্প্রতিক সময়ে মালয়েশিয়ার শিশুদের যৌন নিপীড়নের ঘটনা বেড়েই চলছে৷ অনেকে এক্ষেত্রে হয়রানির পূর্বে শিশুদেরকে প্রলব্ধ করতে মোবাইলের চ্যাট অপশনকেও ব্যবহার করে৷ এ কারণে নতুন আইন করার দরকার হয়ে পড়ে৷

গত বছর ব্রিটেনের সবচেয়ে ভয়ংকর শিশু নিপীড়নকারী রিচার্ড হাকল ঘটনা প্রকাশ হওয়ার পর মালয়েশিয়ার মানুষ আঁতকে উঠে৷ কুয়ালালামপুরে বসে তিনি ডজন ডজন দরিদ্র শিশুদের নিপীড়ন করেছিলেন৷

ইংরেজি শিক্ষক এবং সমাজ সেবকের আড়ালে অভিভাবকদের বিশ্বাস অর্জন করে তিনি এই কাজ করতেন৷ বর্তমানে তিনি ২২ বছরে কারাজীবন পার করছেন৷

নতুন এই আদালতেক স্বাগত জানিয়ে শিশু অধিকার গোষ্ঠীগুলো বিচারক, সহকারি পাবলিক প্রসিকিউটর, আসামীপক্ষের আইনজীবী, কল্যাণকাজে নিয়োজিতদের যথাযথভাবে প্রশিক্ষিত হতে হবে৷ যাতে তাঁরা যথাযথভাবে সাক্ষী ও ঘটনার শিকার শিশুদের বক্তব্য নিতে পারেন৷

ভয়েস অফ চিলড্রেন নামে অ্যাডভোকেসি গ্রুপের চেয়ারপার্সন ও আইনজীবী শর্মিলা শেকারান ডয়চে ভেলেকে বলেন, ম্যাজিস্ট্রেট, দায়রা আদালতের বিচারক এবং রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের প্রশিক্ষণ হয়ে গেছে৷ তবে এখনও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের প্রশিক্ষণ হয়নি৷

বেলুন কারখানায় শিশু শ্রমিক

ঢাকার কামরাঙ্গীর চরের একটি বেলুন তৈরির কারখানায় কাজ করছে দশ বছরের এক শিশু৷ সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে ৪৫ লাখেরও বেশি শিশু ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত, যার প্রায় ১৭ লাখেরও বেশি শিশু শ্রমিক খোদ রাজধানীতেই৷

নেই কোনো নজরদারি

কামরাঙ্গীর চরের এই বেলুন কারখানায় খোলামেলাভাবে নানা ধরনের রাসায়নিকের মাঝে কাজ করে শিশু শ্রমিকরা৷ বাংলাদেশ সরকার ঝুঁকিপূর্ণ ৩৮টি কাজে শিশুশ্রম নিষিদ্ধ করলেও আদতে তা মানা হচ্ছে না৷ সরকারিভাবে নেই কোনো নজরদারির ব্যবস্থা৷

সিংহভাগই শিশু শ্রমিক

ঢাকার কামরাঙ্গীর চরে কমপক্ষে দশটি বেলুন তৈরির কারখানা আছে, যেগুলোর সিংহভাগেই শিশু শ্রমিক কাজ করে৷ সড়ক থেকে একটু আড়ালে ভেতরের দিকেই কাজ করানো হয় শিশুদের৷ সপ্তাহে সাত দিনই সকাল-সন্ধ্যা কাজ করতে হয় তাদের৷ তবে শুক্রবারে আধাবেলা ছুটি মেলে৷

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ

ঢাকার কেরাণীগঞ্জে সিলভারের তৈজসপত্র তৈরির কারখানায় কাজ করে শিশু শ্রমিক আলী হোসেন৷ মারাত্মক উচ্চ শব্দের মধ্যে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করতে হয় তাকে৷

ট্যানারি কারখানায় শিশু শ্রমিক

ঢাকার হাজারীবাগের একটি ট্যানারি কারখানায় বাইরে কাজ করে নোয়াখালীর আসিফ৷ বয়স মাত্র বারো৷ রাসায়নিক মিশ্রিত চামড়া শুকানোর কাজ করে সে৷ দিনে ১২ ঘণ্টারও বেশি কাজ করে সামান্য যে মজুরি পায় তা দিয়ে সংসার চালাতে মাকে সাহায্য করে আসিফ৷

মায়ের সঙ্গে রাব্বি

কামরাঙ্গীর চরের একটি প্লাস্টিক বোতল প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রে মায়ের সঙ্গে কাজ করে চাঁদপুরের রাব্বি৷ এই কেন্দ্রের মালিক নাকি শিশু শ্রমিক নিয়োগের বিরোধী৷ মায়ের অনুরোধে রাব্বিকে কাজ দেয়া হয়েছে বলে দাবি তাঁর৷ কারণ রাব্বির মা সারাদিন খেটে যে মজুরি পান তাতে সংসার চলে না৷ সংসার চালাতে তাই কাজ করতে হচ্ছে রাব্বিকে৷

হিউম্যান হলারে শিশু হেল্পার

ঢাকার রাস্তায় চলাচলকারী হিউম্যান হলারগুলোতে শিশু শ্রমিক চোখে পড়ার মতো৷ বাহনগুলো দরজায় ঝুলে ঝুলে কাজ করতে হয় এ সব শিশুদের৷ চলন্ত গাড়ি থেকে পড়ে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকারও হয় এসব শিশুরা৷

ব্রিক ফিল্ডে শিশুরা

ঢাকার আমিন বাজারের বিভিন্ন ব্রিক ফিল্ডেও কাজ করে শিশু শ্রমিকরা৷ প্রতি হাজার ইট বহন করে পারিশ্রমিক পায় ১০০-১২০ টাকা৷ একটি কাঁচা ইটের ওজন কমপক্ষে তিন কেজি৷ একেকটি শিশু ৬ থেকে ১৬টি ইট এক-একবারে মাথায় নিয়ে পৌঁছে দেয় কমপক্ষে ৫০০ গজ দূরে, ইট ভাটায়৷ তাদের কোনো কর্মঘণ্টাও ঠিক করা নেই৷ একটু বেশি উপার্জনের আশায় রাত পর্যন্ত কাজ করে তারা৷

লেদ কারখানায় ঝুঁকিপূর্ণ কাজে শিশুরা

পুরনো ঢাকার লালবাগের একটি লেদ কারখানায় কাজ করে ১১ বছরের শিশু রহিম৷ সারাদিন লোহা কাটা, ভারি যন্ত্রপাতি মেরামত, হাতুরি পেটানোসহ নানা রকম ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করে সে৷

তাঁর কথায়, ‘‘শিশুদের বিরুদ্ধে যৌন অপরাধসংক্রান্ত মামলাগুলোর ক্ষেত্রে নতুন একটি আচরণবিধির কাঠামো করতে আমরা বার কাউন্সিলের ফৌজদারি আইন বিষয়ক কমিটিকে বলেছি৷ আমি যতদূর জানি, প্রাথমিক পর্যায়ের প্রশিক্ষণ হয়েছে৷ আরো নিবিড় প্রশিক্ষণ দরকার৷’’

এছাড়া পুলিশ এবং ওয়েলফেয়ার সার্ভিসের ভূমিকা নিয়েও কথা বলেন শেকারান৷ তিনি বলেন, শিশু যথাযথভাবে সহযোগিতা পাবে কিনা, তা নিশ্চিত করতে হবে৷ যোগ্য আইনজীবীদের নিয়ে আসতে হবে৷ শিশু সাক্ষীদেরও যথাযথ কাউন্সেলিং এবং সমর্থন দরকার হয়৷

বর্তমানে দেশটিতে পুলিশ, সমাজকর্মী, হাসপাতালে ঘটনার শিকার শিশুদেরকে বারংবার সাক্ষাৎকারের মুখে পড়তে হয়৷ কোনো কোনো মামলা শেষ হতে বছরের পর বছর লেগে যায়৷ এই ধরনের মামলাগুলো এক বছরের মধ্যে নিষ্পত্তি করা যাবে বলে প্রধানমন্ত্রী নাজিব নিজেই আশা প্রকাশ করেছেন৷

শেকারান বলেন, এই সংক্রান্ত বিষয়ে সমাজের বদ্ধমূল ধারণাগুলো অপসারণে শিক্ষা ও সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে৷ এতে শিশুরা এই সব অপরাধের বিষয়ে আরো সরব হবে, কেউ অপরাধ করলে বিচার চাইতে আসবে৷

শিশুদের প্রতি এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে অধিকাংশ অপরাধীই পরিবারের সদস্য – এ কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে শেকারান বলেন, ‘‘আমাদেরকে এটা মনে রাখতে হবে৷ যেমন আমি এখন একটা ঘটনা নিয়ে কাজ করছি৷ যেখানে শিশুটি প্রথম তাঁর মাকে এই ঘটনা জানায়৷ কিন্তু তাঁর মা সেটা বিশ্বাস করেনি৷ শিশুদেরকে শেখাতে হবে ‘নিরাপদ এবং অনিরাপদ স্পর্শ’ কাকে বলে? কোথায়, কার কাছে কিভাবে – এ সব বিষয়ে অভিযোগ করতে হয়?''

ব্রেন্ডা হাস/এসএন

সমাজ

শিশু হাসপাতাল সেন্টার

মার্কিন সংগীত তারকা ম্যাডোনা আফ্রিকার মালাউয়িতে শিশুদের জন্য একটি হাসপাতাল সেন্টার চালু করেছেন৷ দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর ব্ল্যানটায়ার কুইন এলিজাবেথ সেন্ট্রাল হাসপাতালে এই সেন্টারটির উদ্বোধনীতে মালাউয়ির প্রেসিডেন্ট পেটার মুথারিকা (ডানে) উপস্থিত ছিলেন৷ সেন্টারটি নবজাতক শিশুদের প্রাণ বাঁচাবে বলে জানিয়েছেন দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী৷

সমাজ

নবজাতক মৃত্যুর হার

মালাউয়িতে নবজাতক শিশুমৃত্যুর হার বিশ্বের মধ্যে এখনও অনেক বেশি৷ ২০১৬ সালে প্রতি এক হাজার নবজাতকের মধ্যে ৪৬ জন মারা গেছে৷ অবশ্য ১৯৯২ সালে সংখ্যাটি ছিল ১৩৫৷

সমাজ

মেয়ের নামে হাসপাতাল

মালাউয়ি থেকে ম্যাডোনা চারজনকে সন্তান হিসেবে দত্তক নিয়েছেন৷ এর মধ্যে ২০০৯ সালে দত্তক নেয়া মেয়ে মার্সি জেমসের (ছবিতে যাকে দেখা যাচ্ছে) নামে সদ্য চালু হওয়া সেন্টারটির নামকরণ করা হয়েছে৷ নাম ‘মার্সি জেমস ইনস্টিটিউট ফর প্যাডিয়াট্রিক সার্জারি অ্যান্ড ইনটেনসিভ কেয়ার’৷ এছাড়া ২০০৬ সালে ডেভিড বান্দা নামের এক ছেলে ও চলতি বছরের শুরুতে এস্থার ও স্টেলা নামে আরও দুজনকে দত্তক নেন ম্যাডোনা৷

সমাজ

‘ইউ আর দ্য বম্ব’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মার্সি জেমস বলেন, ‘‘অনেক শিশুর প্রাণ বাঁচবে৷ ধন্যবাদ মা, ইউ আর দ্য বম্ব৷’’

সমাজ

‘মাতৃসুলভ গুণাবলীর প্রতীক’

মালাউয়িতে শিশুদের জন্য হাসপাতাল বানানোয় ম্যাডোনার প্রশংসা করতে গিয়ে তাঁকে ‘মাতৃসুলভ গুণাবলীর প্রতীক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট পেটার মুথারিকা৷

সমাজ

দাতব্য প্রতিষ্ঠান

স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার প্রসারে সহায়তা করতে ২০০৬ সালে ‘রেইজিং মালাউয়ি’ নামে একটি দাতব্য সংস্থা চালু করেছিলেন৷ প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইট বলছে, মালাউয়িতে এখন পর্যন্ত ১০টি স্কুল গড়ে তোলা হয়েছে৷

সমাজ

আইন সংস্কার

মালাউয়িতে দত্তক সংক্রান্ত আইন সংস্কারে ধীরগতির সমালোচনা করেন ম্যাডোনা৷ তিনি বলেন, মার্সি জেমসকে দত্তক নেয়ার সময় তাঁকে বেশ বেগ পেতে হয়েছে৷ ‘‘কয়েকদিন আগে আমার বিবাহবিচ্ছেদ হওয়ায় বিচারক আমাকে দত্তক (মার্সি জেমস) নিতে দিতে চাইছিলেন না,’’ বলেন ম্যাডোনা৷ পরে সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে ফয়সালা করতে হয় তাঁকে৷ ছবিতে ম্যাডোনাকে তাঁর দত্তক নেয়া আরেক সন্তান স্টেলার সঙ্গে দেখা যাচ্ছে৷

সমাজ

ফার্স্টলেডির সঙ্গে নাচ

হাসপাতালের উদ্বোধনীতে মালাউয়ির ফার্স্টলেডি গ্যার্ট্রুড মুথারিকার (বামে) সঙ্গে স্থানীয় এক গানের সঙ্গে চাল মিলিয়ে নাচেন মার্কিন তারকা ম্যাডোনা৷