যে কারণে ওরা জঙ্গি হয়, যেভাবে ওদের ফেরানো যায়

কেন কিছু তরুণ জঙ্গি হচ্ছে, সৃষ্টির আনন্দে শামিল না হয়ে ধ্বংসে মাতছে? কীভাবে সন্তানদের রক্ষা করা যায়? ডয়চে ভেলেকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এ সব বিষয়েই কথা বলেছেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটের ড. তাজুল ইসলাম৷

কিশোর বা তরুণদের একটা অংশের জঙ্গিবাদের দিকে ঝুঁকে পড়ার কারণ হিসেবে প্রথমে তাদের বয়সগত বৈশিষ্ট্যের দিকটিই তুলে ধরেছেন ড. তাজুল ইসলাম৷ তাঁর মতে, ‘‘যে বয়সে ওরা জঙ্গিবাদে জড়িয়েছে, এ বয়সে জানার খুব আগ্রহ থাকে৷ তাই এ বয়সে অনেকে মাদকের মতো খারাপ জিনিসের প্রতিও না বুঝে আকৃষ্ট হয়ে পড়ে৷ এই বয়সে কোনো কোনো আদর্শের প্রতিও কেউ কেউ খুব দ্রুত অনুরক্ত হয়ে পড়ে৷ এই বয়সে বিভিন্ন ফ্যাশন, বিভিন্ন মতধারার সঙ্গেও নিজেকে জড়িত করে ফেলে অনেকে৷ পৃথিবীতে সব বড় পরিবর্তনে এই বয়সের মানুষরাই সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে৷ আমাদের মুক্তিযুদ্ধেও তরুণ প্রজন্মই বেশি অংশ নিয়েছিল৷ কিন্তু এখন কথা হচ্ছে, জঙ্গিবাদে যারা জড়াচ্ছে, তারা আসলে কোন মতাদর্শের দিকে এগোচ্ছে? এটার সঙ্গে একটু মিল আছে ড্রাগ অ্যাডিকশন, অর্থাৎ মাদকের নেশার৷ সবাই কিন্তু জেনে-বুঝে ড্রাগ নেয়া শুরু করে না৷ অনেকে কৌতূহল থেকে বা অন্যের প্রলোভনেও ওই পথে পা বাড়ায়৷''

আপনি কী ভাবছেন?

এখানে ক্লিক করুন ও আলোচনায় যোগ দিন

অডিও শুনুন 24:29
এখন লাইভ
24:29 মিনিট
বিষয় | 21.07.2016

‘‘আমরা আসলে আমাদের সন্তানদের জীবনটাকে ছোট করে ফেলছি’’

যাদের পারিবারিক জীবনে সমস্যা আছে বা ধর্মের প্রতি যারা একটু বেশি অনুভূতিপ্রবণ, জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো তাদেরই নানা ছল-চাতুরীর মাধ্যমে দলে ভেড়ায় – এমন একটি ব্যাখ্যাও উঠে এসেছে ড. তাজুল ইসলামের কথায়৷ তাঁর ভাষায়, ‘‘তারা (জঙ্গিরা) প্রথমে মসজিদে নিয়ে যায়, অথবা কোনো বৈঠকে নিয়ে যায়৷ সেখানে নিয়ে গিয়ে প্রথমে তারা ধর্মের স্বাভাবিক কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলে, যাতে মনটা নরম হয়৷ তারপর তারা শুরু করে পৃথিবীর কোথায় মুসলমানদের সঙ্গে অন্যায় হয়েছে এসব বলে এবং এই সংক্রান্ত ভিডিও দেখিয়ে বিক্ষুব্ধ করার চেষ্টা করে৷ একই সঙ্গে জিহাদে উদ্বুদ্ধ করার জন্য অপ্রাসঙ্গিক এবং জাল হাদিসও শোনানো হয়৷ যারা জঙ্গি হচ্ছে তারা কিন্তু পরিপূর্ণ কোরআন জানে না, ইসলামও জানে না৷ অনেকে তো নামাজ-রোজাও ঠিকমতো করে না৷ তাদের ভেতরে শুধু ইসলাম এবং মুসলিমদের প্রতি এক ধরনের মমত্ব আছে৷ জঙ্গিবাদীরা এটাকেই কাজে লাগায়৷ খেপিয়ে তোলার পর এক সময় জরা তরুণদের এটাও বলে যে, দেশ চলবে আল্লাহর আইনে, মানুষের তৈরি আইনে নয়৷''

অভিজ্ঞ এই মানসিক এবং মাদক নেশাজনিত সমস্যার বিশেষজ্ঞ পরামর্শদাতা ড. তাজুল ইসলামের মতে, তরুণদের জঙ্গিবাদ থেকে দূরে রাখতে হলে পরিবার থেকেই কাজ শুরু করতে হবে৷ তিনি বলেন, ‘‘আমি গার্জিয়ানদের এ কথাই বলি যে, আপনার ছেলের মধ্যে ভালনারেবিলিটি আছে, তারুণ্যের কিছু বৈশিষ্ট্য আছে এবং আশেপাশে এমন কিছু স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী আছে যারা প্রলোভন দেখাবে এবং আপনার সন্তানকে নিয়ে যাবে৷ কিন্তু গুড প্যারেন্টিং থাকলে স্বার্থান্বেষী মহলও ক্ষতি করতে পারবেনা৷ সন্তানের সঙ্গে যদি বাবা-মায়ের অনেক বেশি দূরত্ব থাকে, সন্তানের মনোজগতের পরিবর্তন যদি তারা খেয়াল করতে না পারেন, তাহলে গর্ত দিয়ে তো সাপ ঢুকেই যাবে৷''

অন্য সব বিষয়ের মতো সন্তান পালনের ক্ষেত্রেও পুরানো অনেক ধ্যানধারণা আজ অচল হয়ে পড়েছে৷ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ধাত্রীরা জার্মানিতে বাবা-মায়েদের এই কাজে দক্ষ করে তোলার চেষ্টা করেন৷ দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও সর্বশেষ বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের ভিত্তিতে তারা সন্তান পালন সংক্রান্ত নানা পরামর্শ দেন৷ স্বাস্থ্য বিমা সংস্থাই ধাত্রীর পারিশ্রমিক দেয়৷

ঢাকা-কলকাতার মতো শহরের কংক্রিটের জঙ্গলে অনেক শিশু সহজে মাটির সংস্পর্শে আসতে পারে না৷ জার্মানিতে শিশুদের প্রকৃতির কোলে যেতে উৎসাহ দেওয়া হয়৷ এমনকি কিছু এলাকায় জঙ্গলের মধ্যেই কিন্ডারগার্টেন রয়েছে৷ গাছপালা ও নানা প্রাণীর সঙ্গে সাক্ষাৎ পরিচয় হয় তাদের৷

কিশোর বা তরুণদের একটা অংশের জঙ্গিবাদের দিকে ঝুঁকে পড়ার কারণ হিসেবে প্রথমে তাদের বয়সগত বৈশিষ্ট্যের দিকটিই তুলে ধরেছেন ড. তাজুল ইসলাম৷ তাঁর মতে, ‘‘যে বয়সে ওরা জঙ্গিবাদে জড়িয়েছে, এ বয়সে জানার খুব আগ্রহ থাকে৷ তাই এ বয়সে অনেকে মাদকের মতো খারাপ জিনিসের প্রতিও না বুঝে আকৃষ্ট হয়ে পড়ে৷ এই বয়সে কোনো কোনো আদর্শের প্রতিও কেউ কেউ খুব দ্রুত অনুরক্ত হয়ে পড়ে৷ এই বয়সে বিভিন্ন ফ্যাশন, বিভিন্ন মতধারার সঙ্গেও নিজেকে জড়িত করে ফেলে অনেকে৷ পৃথিবীতে সব বড় পরিবর্তনে এই বয়সের মানুষরাই সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে৷ আমাদের মুক্তিযুদ্ধেও তরুণ প্রজন্মই বেশি অংশ নিয়েছিল৷ কিন্তু এখন কথা হচ্ছে, জঙ্গিবাদে যারা জড়াচ্ছে, তারা আসলে কোন মতাদর্শের দিকে এগোচ্ছে? এটার সঙ্গে একটু মিল আছে ড্রাগ অ্যাডিকশন, অর্থাৎ মাদকের নেশার৷ সবাই কিন্তু জেনে-বুঝে ড্রাগ নেয়া শুরু করে না৷ অনেকে কৌতূহল থেকে বা অন্যের প্রলোভনেও ওই পথে পা বাড়ায়৷''

অডিও শুনুন 24:29
এখন লাইভ
24:29 মিনিট
বিষয় | 21.07.2016

‘‘আমরা আসলে আমাদের সন্তানদের জীবনটাকে ছোট করে ফেলছি’’

যাদের পারিবারিক জীবনে সমস্যা আছে বা ধর্মের প্রতি যারা একটু বেশি অনুভূতিপ্রবণ, জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো তাদেরই নানা ছল-চাতুরীর মাধ্যমে দলে ভেড়ায় – এমন একটি ব্যাখ্যাও উঠে এসেছে ড. তাজুল ইসলামের কথায়৷ তাঁর ভাষায়, ‘‘তারা (জঙ্গিরা) প্রথমে মসজিদে নিয়ে যায়, অথবা কোনো বৈঠকে নিয়ে যায়৷ সেখানে নিয়ে গিয়ে প্রথমে তারা ধর্মের স্বাভাবিক কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলে, যাতে মনটা নরম হয়৷ তারপর তারা শুরু করে পৃথিবীর কোথায় মুসলমানদের সঙ্গে অন্যায় হয়েছে এসব বলে এবং এই সংক্রান্ত ভিডিও দেখিয়ে বিক্ষুব্ধ করার চেষ্টা করে৷ একই সঙ্গে জিহাদে উদ্বুদ্ধ করার জন্য অপ্রাসঙ্গিক এবং জাল হাদিসও শোনানো হয়৷ যারা জঙ্গি হচ্ছে তারা কিন্তু পরিপূর্ণ কোরআন জানে না, ইসলামও জানে না৷ অনেকে তো নামাজ-রোজাও ঠিকমতো করে না৷ তাদের ভেতরে শুধু ইসলাম এবং মুসলিমদের প্রতি এক ধরনের মমত্ব আছে৷ জঙ্গিবাদীরা এটাকেই কাজে লাগায়৷ খেপিয়ে তোলার পর এক সময় জরা তরুণদের এটাও বলে যে, দেশ চলবে আল্লাহর আইনে, মানুষের তৈরি আইনে নয়৷''

অভিজ্ঞ এই মানসিক এবং মাদক নেশাজনিত সমস্যার বিশেষজ্ঞ পরামর্শদাতা ড. তাজুল ইসলামের মতে, তরুণদের জঙ্গিবাদ থেকে দূরে রাখতে হলে পরিবার থেকেই কাজ শুরু করতে হবে৷ তিনি বলেন, ‘‘আমি গার্জিয়ানদের এ কথাই বলি যে, আপনার ছেলের মধ্যে ভালনারেবিলিটি আছে, তারুণ্যের কিছু বৈশিষ্ট্য আছে এবং আশেপাশে এমন কিছু স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী আছে যারা প্রলোভন দেখাবে এবং আপনার সন্তানকে নিয়ে যাবে৷ কিন্তু গুড প্যারেন্টিং থাকলে স্বার্থান্বেষী মহলও ক্ষতি করতে পারবেনা৷ সন্তানের সঙ্গে যদি বাবা-মায়ের অনেক বেশি দূরত্ব থাকে, সন্তানের মনোজগতের পরিবর্তন যদি তারা খেয়াল করতে না পারেন, তাহলে গর্ত দিয়ে তো সাপ ঢুকেই যাবে৷''

ফিরিয়ে দাও শৈশব

দক্ষিণ এশিয়ার আধুনিক নগরকেন্দ্রিক জীবনযাত্রার মূলমন্ত্র হলো প্রতিযোগিতা৷ একেবারে ছোট বয়স থেকেই তাই চাপের শেষ নেই৷ পড়াশোনা, নাচগান, আঁকা, শরীরচর্চা, খেলাধুলা – সব কিছুতেই সেরা হয়ে ওঠার জন্য শিশুদের উপর চাপ দেওয়া হয়৷ এর পরিণাম কি ভালো হতে পারে?

সন্তান পালনে পেশাদারি সাহায্য

অন্য সব বিষয়ের মতো সন্তান পালনের ক্ষেত্রেও পুরানো অনেক ধ্যানধারণা আজ অচল হয়ে পড়েছে৷ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ধাত্রীরা জার্মানিতে বাবা-মায়েদের এই কাজে দক্ষ করে তোলার চেষ্টা করেন৷ দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও সর্বশেষ বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের ভিত্তিতে তারা সন্তান পালন সংক্রান্ত নানা পরামর্শ দেন৷ স্বাস্থ্য বিমা সংস্থাই ধাত্রীর পারিশ্রমিক দেয়৷

বাবা-মা একটু সময় দিলে

জন্মের পর শিশুর জন্য বাবা-মায়ের স্পর্শ, তাদের আদর-ভালোবাসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷ কিন্তু তাদের অত সময় আছে কি? জার্মানিতে নানা মডেলের আওতায় বাবা-মা প্রথম বছরে সন্তানের সঙ্গে অনেক সময় কাটানোর সুযোগ পান৷ রাষ্ট্র ও কর্মদাতা প্রতিষ্ঠান কর্মীদের জন্য সেই ব্যবস্থা করে দেয়৷

পুঁথিগত শিক্ষার প্রস্তুতি

এক থেকে দুই বছর বয়সের মধ্যে জার্মানির শিশুরা সাধারণত কিন্ডারগার্টেনে যাবার সুযোগ পায়৷ কিন্তু সেখানে পুঁথিগত শিক্ষা নিষিদ্ধ৷ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মীদের কাছ থেকে খেলাচ্ছলে জীবনের নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে নানারকম শিক্ষা পায় কচিকাচারা৷ স্কুলে যাবার আগে এই প্রস্তুতি তাদের খুব কাজে লাগে৷

প্রকৃতির সঙ্গে একাত্মবোধ

ঢাকা-কলকাতার মতো শহরের কংক্রিটের জঙ্গলে অনেক শিশু সহজে মাটির সংস্পর্শে আসতে পারে না৷ জার্মানিতে শিশুদের প্রকৃতির কোলে যেতে উৎসাহ দেওয়া হয়৷ এমনকি কিছু এলাকায় জঙ্গলের মধ্যেই কিন্ডারগার্টেন রয়েছে৷ গাছপালা ও নানা প্রাণীর সঙ্গে সাক্ষাৎ পরিচয় হয় তাদের৷

স্কুলে যাওয়া বাধ্যতামূলক

সাধারণত ৬ বছর বয়সে স্কুলে যায় জার্মানির বাচ্চারা৷ তখনই পড়াশোনা শুরু হয়৷ প্রাথমিক স্কুলশিক্ষা বাধ্যতামূলক৷ স্কুলে আলাদা ইউনিফর্ম নেই৷ প্রথম দিনে কচিকাচাদের উপহারে ভরা এক বিশেষ ঠোঙা দেওয়ার রেওয়াজ আছে৷

পড়ার চাপ

স্কুলের পড়াশোনা স্কুলেই শেখানোর চেষ্টা করা হয়৷ বাড়িতে ফিরে কিছু হোমওয়ার্ক করলেই চলে৷ সাধারণত গৃহশিক্ষক বা কোচিং ক্লাসের প্রয়োজন পড়ে না৷ তবে কিছু ক্ষেত্রে দুর্বলতা দূর করতে বাড়তি সাহায্যের ব্যবস্থা রয়েছে৷ শিক্ষা রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তের আওতায় পড়ে বলে জার্মানিতে অনেক সংস্কার আটকে আছে বলে নানা মহলে অভিযোগ ওঠে৷

‘গর্তের সাপ' থেকে সন্তানদের দূরে রাখতে হলে স্নেহপরায়ণ এবং বন্ধুবৎসল বাবা-মাকে সতর্ক তো হতে হবেই, পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকেও সক্রিয় থেকে সহায়কের ভূমিকা পালন করতে হবে৷

দেশে বেশির ভাগ স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়েই খেলার মাঠ নেই, সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চার বিশেষ কোনো আয়োজন নেই, ‘খেলাঘর', ‘কচিকাচার মেলা'-র মতো সংগঠনগুলোও যে প্রায় বিলুপ্তির পথে এসবও তরুণ প্রজন্মের একাংশের জঙ্গিবাদের দিকে ঝুঁকতে সহায়তা করছে বলে মনে করেন ড. তাজুল ইসলাম৷ এ বিষয়গুলো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘‘তথ্য-প্রযুক্তির যুগে ইন্টারনেটের ব্যবহার এত বেশি বেড়েছে যে খেলাধুলা, গান-বাজনা থেকে শুরু করে সোস্যালাইজেশনের অনেক বিষয় থেকেই একেবারে বিচ্ছিন্ন করে ফেলছি আমাদের সন্তানদের৷ আমরা আসলে আমাদের সন্তানদের জীবনটাকে ছোট করে ফেলছি৷ এই ছোট জীবন থেকে বড় কিছু হওয়ার সুযোগ নেই৷''

সাক্ষাৎকারে নতুন প্রজন্মকে জঙ্গিবাদ থেকে দূরে রাখার উপায় হিসেবে বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক তাজুল ইসলাম৷ তবে তাঁর মতে, সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন উঠতি বয়সিদের প্রতি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ সমাজের প্রতিটি স্তরে বিশেষ মনোযোগ এবং যত্ন৷ ড. তাজুল ইসলামের ভাষায়, ‘‘স্কুল, কলেজ, পরিবার এবং বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানকে আবার উজ্জীবিত করতে হবে৷ সবকিছু ঠিকভাবে কাজ করলেই কেবল শিশু, কিশোর, তরুণদের সার্বজনীন মানবিক বিকাশটা সম্ভব৷''

বন্ধু, আপনি কি ড. তাজুল ইসলামের সঙ্গে একমত? জানান আমাদের, লিখুন নীচের ঘরে৷

সংশ্লিষ্ট বিষয়