1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

শান্তির বার্তা নিয়ে জার্মানিতে বিশ্ব ধর্ম সম্মেলন

২০ আগস্ট ২০১৯

নিউইয়র্ক ভিত্তিক সংগঠন রিলিজিয়ন্স ফর পিস (ধর্ম শান্তির জন্য) এর উদ্যোগে নানা ধর্মের  হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে বায়ার্নের বোডেন সাগরের তীরের শহর লিন্ডাওতে শুরু হয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে সম্মেলন৷

https://p.dw.com/p/3OC0n
Deutschland Lindau Konferenz Religions for Peace
ছবি: DW/Z. Ahmed

সম্মেলনের এবারের মূল ভাবনা হলো “সবার সাধারণ ভবিষ্যতের প্রতি যত্নবান হওয়া - সবাই মিলে ভালো থাকার পথে অগ্রসর হওয়া৷’’ 

বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশের বিভিন্ন ধর্মের প্রায় ৮০০ জন ধর্মীয় নেতা, নারী ও তরুণ প্রতিনিধিরা এখানে অংশ নিচ্ছেন৷ এদের মধ্যে বিভিন্ন দেশের সরকারের ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধি প্রায় প্রায় ১০০ জন প্রতিনিধি৷এবারের আসরটি সংগঠনটির ধর্ম ও শান্তি বিষয়ক দশম সম্মেলন৷ 

সম্মেলনে উদ্বোধনী ভাষণে  জার্মানির প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক ভাল্টার স্টাইনমায়ার বলেন কে কোথা থেকে এসেছেন, তাঁর বর্ণ কী, তাঁর লিঙ্গ কী এর ওপর শান্তি যেন নির্ভর  করে না৷ধর্মগুলোর মধ্যে শান্তি না থাকলে এই পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে না বলেও মত দিয়েছেন তিনি৷

এবারের আসরে মিয়ানমারে শান্তি প্রতিষ্ঠার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে৷ বিশেষ করে দেশটির রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে এই প্লাটফর্ম কী ভূমিকা রাখতে  পারে তা আলোচনা হবে৷ এ সঙ্কট নিরসনে মিয়ানমার ও বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের মাঝে শান্তি আলোচনা হবার কথা রয়েছে এ সম্মেলনে৷ এজন্য মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গাসহ ধর্মীয় নেতা, সরকারি ও সুশীল সমাজের ১৫ জন প্রতিনিধি যোগ দিয়েছেন৷ তবে বাংলাদেশ থেকে এসেছেন মাত্র তিনজন, তাও রিলিজিয়ন্স ফর পিস বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা৷
এছাড়া সম্মেলনে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ সুদান, কঙ্গো ও মধ্য আফ্রিকার সংকট নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানা গেছে৷সম্মেলন থেকে সম্প্রচারিত ডয়চে ভেলের ভিডিওটি দেখুন৷

সম্মেলন থেকে প্রচারিত ডয়চে ভেলের ভিডিওটি দেখুন৷

১৯৭০ সালে নিউইয়র্কভিত্তিক রিলিজিয়ন্স ফর পিস নামে এই প্লাটফর্মটির যাত্রা শুরু হয়৷ ঠাণ্ডা যুদ্ধের কারণে যখন বৈশ্বিক মেরুকরণ দানবীয় রূপ নিচ্ছে তখন এ ধরনের একটি উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা দেখেন উদ্যাক্তারা৷  মূলত যুদ্ধ ওসংঘাত ঠেকাতে ধর্মের ভূমিকা রাখার বিরাট সুযোগকে কাজে লাগাতে চেয়েছেন তাঁরা৷ সংগঠনটির প্রথম সম্মেলনটি হয় জাপানের কিয়োটোতে৷ বর্তমানে ৯০টিরও বেশি দেশে সংগঠনটির জাতীয় ও ছয়টি আঞ্চলিক শাখা আছে৷