শেঙেন বাঁচাতে ইইউ মন্ত্রীদের চেষ্টা

ইউরোপের ২৬টি দেশে বসবাসকারী অধিবাসীরা ভিসামুক্তভাবে অন্য দেশে যেতে পারেন৷ ‘শেঙেন চুক্তি'-র আওতায় এই সুবিধা পান তাঁরা৷ তবে শরণার্থী সংকটের কারণে এই সুবিধার ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে৷

২০১৫ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে ১০ লক্ষেরও বেশি শরণার্থী প্রবেশ করেছে৷ এখনও প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার করে শরণার্থী ঢুকছে৷ এর একটি বড় অংশ তুরস্ক থেকে সাগর পাড়ি দিয়ে গ্রিসে ঢুকছে৷ তারপর অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে পড়ছে৷

তবে এক্ষেত্রে গ্রিসের ভূমিকায় ইইউর অন্য দেশগুলো সন্তুষ্ট নয়৷ তাদের মতে, গ্রিসের উচিত তাদের সীমান্তে আরও কড়াকড়ি আরোপ করা যেন শরণার্থীরা তুরস্ক থেকে ইইউতে প্রবেশই করতে না পারে৷

সোমবার থেকে নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামে ইইউর স্বরাষ্ট্র ও বিচার মন্ত্রীদের যে দুদিনের অনানুষ্ঠানিক বৈঠক শুরু হয়েছে সেখানে গ্রিসকে শক্তহাতে তার সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ করতে চাপ দেয়া হবে৷

বৈঠক শুরুর আগে অস্ট্রিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহানা মিকেল-লাইটনার সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘ইউরোপের বহির্সীমান্ত (তুরস্ক-গ্রিসের মধ্যে সমুদ্র সীমান্ত) রক্ষার মতো সামর্থ্য আছে গ্রিসের৷ ইউরোপের অন্যতম বড় নৌ-বাহিনী আছে তাদের৷''

সীমান্ত নিয়ন্ত্রণে গ্রিসের উপর চাপ বাড়াতে দেশটিকে শেঙেন থেকে ‘সাময়িকভাবে বহিষ্কার' করা হতে পারে বলেও এর আগে মন্তব্য করেন লাইটনার৷

আমস্টারডামের বৈঠকে ইইউ-র বহির্সীমান্ত রক্ষায় কোস্টগার্ড মোতায়েন সহ অন্যান্য উপায় বের করার চেষ্টা করা হবে৷ ইইউ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড টুস্ক কদিন আগে সতর্ক করে বলেন, সমাধান বের করা না গেলে দুই মাসের মধ্যে শেঙেন ভেঙে পড়তে পারে

অস্ট্রিয়া সহ কয়েকটি দেশ ইতিমধ্যে নিজেদের সীমান্তে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে৷ শেঙেন চুক্তি অনুযায়ী, কোনো সদস্যরাষ্ট্র চাইলে ৩০ দিন পর্যন্ত এমন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু করতে পারে৷ আমস্টারডামের বৈঠকে এই দিনের সংখ্যা আরও বাড়ানোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হতে পারে৷

‘‘বাংলাদেশি, পাকিস্তানি, ইরানি, নেপালি বা মরোক্কানরা কি মানুষ নন?’’ এই স্লোগান দিয়ে কাঁটাতারের বেড়ার ওপার থেকে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন উদ্বাস্তুরা৷ তারা সবাই গেভগেলিয়া সীমান্তে আটকা পড়েছেন৷ ম্যাসিডোনিয়া শুধুমাত্র সিরিয়া, ইরাক ও আফগানিস্তান থেকে আসা উদ্বাস্তুদের ভেতরে ঢুকতে দিচ্ছে৷

একটি ইরানি মেয়ের দুই গালে লেখা ‘হেল্প!’, ‘সাহায্য করো৷’ সীমান্তের পরিস্থিতি থমথমে৷ ম্যাসিডোনিয়ার প্রেসিডেন্ট গিয়র্গে ইভানভ ঝগড়া-মারামারির ‘সমুচ্চ ঝুঁকির’ কথা বলেছেন৷

প্রায় দু’শো উদ্বাস্তু অনশন ধর্মঘট শুরু করেছেন৷ উদ্বাস্তুদের অধিকাংশ উত্তর ইউরোপে যেতে চান৷ তাদের কেউই গ্রিসে থাকতে চান না৷

২০১৫ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে ১০ লক্ষেরও বেশি শরণার্থী প্রবেশ করেছে৷ এখনও প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার করে শরণার্থী ঢুকছে৷ এর একটি বড় অংশ তুরস্ক থেকে সাগর পাড়ি দিয়ে গ্রিসে ঢুকছে৷ তারপর অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে পড়ছে৷

তবে এক্ষেত্রে গ্রিসের ভূমিকায় ইইউর অন্য দেশগুলো সন্তুষ্ট নয়৷ তাদের মতে, গ্রিসের উচিত তাদের সীমান্তে আরও কড়াকড়ি আরোপ করা যেন শরণার্থীরা তুরস্ক থেকে ইইউতে প্রবেশই করতে না পারে৷

সোমবার থেকে নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামে ইইউর স্বরাষ্ট্র ও বিচার মন্ত্রীদের যে দুদিনের অনানুষ্ঠানিক বৈঠক শুরু হয়েছে সেখানে গ্রিসকে শক্তহাতে তার সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ করতে চাপ দেয়া হবে৷

বৈঠক শুরুর আগে অস্ট্রিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহানা মিকেল-লাইটনার সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘ইউরোপের বহির্সীমান্ত (তুরস্ক-গ্রিসের মধ্যে সমুদ্র সীমান্ত) রক্ষার মতো সামর্থ্য আছে গ্রিসের৷ ইউরোপের অন্যতম বড় নৌ-বাহিনী আছে তাদের৷''

সীমান্ত নিয়ন্ত্রণে গ্রিসের উপর চাপ বাড়াতে দেশটিকে শেঙেন থেকে ‘সাময়িকভাবে বহিষ্কার' করা হতে পারে বলেও এর আগে মন্তব্য করেন লাইটনার৷

আমস্টারডামের বৈঠকে ইইউ-র বহির্সীমান্ত রক্ষায় কোস্টগার্ড মোতায়েন সহ অন্যান্য উপায় বের করার চেষ্টা করা হবে৷ ইইউ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড টুস্ক কদিন আগে সতর্ক করে বলেন, সমাধান বের করা না গেলে দুই মাসের মধ্যে শেঙেন ভেঙে পড়তে পারে

অস্ট্রিয়া সহ কয়েকটি দেশ ইতিমধ্যে নিজেদের সীমান্তে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে৷ শেঙেন চুক্তি অনুযায়ী, কোনো সদস্যরাষ্ট্র চাইলে ৩০ দিন পর্যন্ত এমন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু করতে পারে৷ আমস্টারডামের বৈঠকে এই দিনের সংখ্যা আরও বাড়ানোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হতে পারে৷

জেডএইচ/ডিজি (এএফপি, এপি)

সেকেন্ড ক্লাস রেফিউজি?

‘‘বাংলাদেশি, পাকিস্তানি, ইরানি, নেপালি বা মরোক্কানরা কি মানুষ নন?’’ এই স্লোগান দিয়ে কাঁটাতারের বেড়ার ওপার থেকে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন উদ্বাস্তুরা৷ তারা সবাই গেভগেলিয়া সীমান্তে আটকা পড়েছেন৷ ম্যাসিডোনিয়া শুধুমাত্র সিরিয়া, ইরাক ও আফগানিস্তান থেকে আসা উদ্বাস্তুদের ভেতরে ঢুকতে দিচ্ছে৷

মূক প্রতিবাদ

এক উদ্বাস্তু ছুঁচসুতো দিয়ে নিজের ঠোঁট সেলাই করে রেখেছেন৷ এরা নাকি ইরান থেকে এসেছেন৷ ম্যাসিডোনিয়া, সার্বিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও স্লোভেনিয়া – বলকান অঞ্চলের এই চারটি দেশের জন্য ইরান থেকে আসা মানুষরা ‘অর্থনৈতিক উদ্বাস্তু’৷ কাজেই তাদের দেশে ঢুকতে দেওয়া হবে না৷

আমলাদের খামখেয়াল

এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে আগত প্রায় হাজার খানেক মানুষ সীমান্তের গ্রিক তরফে অপেক্ষা করছেন৷ কাগজপত্র দেখাতে না পারলে এক নজর দেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে; শুধু মুখ দেখেই আন্দাজ করা হচ্ছে, উদ্বাস্তু কোন দেশ থেকে এসেছেন৷

‘হেল্প!’

একটি ইরানি মেয়ের দুই গালে লেখা ‘হেল্প!’, ‘সাহায্য করো৷’ সীমান্তের পরিস্থিতি থমথমে৷ ম্যাসিডোনিয়ার প্রেসিডেন্ট গিয়র্গে ইভানভ ঝগড়া-মারামারির ‘সমুচ্চ ঝুঁকির’ কথা বলেছেন৷

অবরোধ

গ্রিক তরফে একাধিক মালগাড়ি গত কয়েকদিন ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছে৷ শত শত উদ্বাস্তু থেসালোনিকি আর ম্যাসিডোনিয়ার মধ্যের রেললাইন অবরোধ করে রেখেছেন৷

ফেরার পথ নেই

‘আমাদের গুলি করে মারো, আমরা কখনো ফিরে যাব না৷’ বাংলাদেশি তরুণটি এই শীতেও জামা খুলে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন৷ জাতিসংঘের উদ্বাস্তু ত্রাণ সংস্থা ম্যাসিডোনিয়ার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গের অভিযোগ করেছে৷ সব দেশের মানুষেরই রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনার অধিকার আছে, বলেছে ইউএনএইচসিআর৷

আকুল প্রতিবাদ

প্রায় দু’শো উদ্বাস্তু অনশন ধর্মঘট শুরু করেছেন৷ উদ্বাস্তুদের অধিকাংশ উত্তর ইউরোপে যেতে চান৷ তাদের কেউই গ্রিসে থাকতে চান না৷

শীত আসছে

শরীর গরম রাখার থার্মাল ব্ল্যাঙ্কেট জড়িয়ে শীত আটকানোর চেষ্টা করছেন কিছু মহিলা ও একটি শিশু৷ এখন মাঝেমধ্যেই বৃষ্টি পড়ছে; রাত্রে তাপমাত্রা শূন্যের কাছাকাছি নেমে যায়৷

ত্রাণের আশা

‘জার্মানি আমাদের সাহায্য করো’ – লেখা রয়েছে পিচবোর্ডের টুকরোয়৷ সেপ্টেম্বরের গোড়ায় জার্মান সরকার হাঙ্গেরিতে যে সব উদ্বাস্তু আটকা পড়েছেন, তাদের নেবার সিদ্ধান্ত করেন৷ ‘নো-ম্যানস-বর্ডার’-এ আটক উদ্বাস্তুরাও ঠিক সেই আশা করছেন৷