‘সবার আগে দেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধ করতে হবে’

শৈশব পেরোনোর আগেই সাংবাদিকতা শুরু করেছেন শেখ শরফুদ্দিন রেজা আলী চৌধুরী৷ তাই শিশু-কিশোরদের জন্য কেমন বিনোদন দরকার এবং কী কী কারণে তা তারা পাচ্ছে না, সে সম্পর্কে তার ধারণাটা খুব স্পষ্ট৷

ডয়চে ভেলে: শিশুদের প্রতিনিধি হিসেবে শিশু সাংবাদিকতা করতে গিয়ে বাংলাদেশের শিশুদের কোন দিকটা সবচেয়ে বেশি অবহেলিত বলে আপনার মনে হয়?

শেখ শরফুদ্দিন রেজা আলী চৌধুরী: আমার মনে হয়, শিশুদের দু'টো দিক সবচেয়ে বেশি অবহেলিত৷ একটা দিক হলো বিনোদন এবং অপরটা আমাদের কথাকে প্রাধান্য না দেয়া৷ আমি নিজেও একজন শিশু৷ আমার মনে হয়, আমাদের কথা একেবারেই মূল্যহীন৷ আমরা আমাদের কোনো কথা বড়দের কাছে উত্থাপন করতে পারি না৷ পরিবারে যখন কথা হয়, তখন শিশুদের কথা এড়িয়ে যাওয়া হয়৷ একটা শিশু কী চায় সেটা সে বলতে পারে না৷ সেটা বলে দেয় বড়রা৷ এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ দিক৷ এটাকে অবহেলা মনে হয় আমার কাছে৷

পরিবার, স্কুলের শিক্ষক – সবারই নজর শিশুদের পড়ার দিকে, এই ব্যবস্থা কেমন লাগে?

আপনি কী ভাবছেন?

এখানে ক্লিক করুন ও আলোচনায় যোগ দিন

অবশ্যই, আমি একজন শিশু৷ আমার মতো কিছু কিছু শিশু আছে যারা পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে মনোযোগ দিতে চায়৷ আবার কিছু শিশু আছে যারা শুধুই পড়াশোনা করতে চায়৷ আমার মনে হয়, শুধু পড়াশোনা করলে একঘেয়েমি চলে আসে৷ তাই অর্ধেক সময় পড়াশোনা আর অর্ধেক খেলাধুলা ও সংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেয়া উচিত৷ দেশের বাইরের উদাহরণ দিয়ে বলি, স্কুলের পড়াশোনা স্কুলেই শেষ হোক৷ বাকি সময়টা যেন আমরা অন্য কাজে লাগাতে পারি৷ এখন একটা কথা বলা হচ্ছে, মেয়েদের সকালে স্কুল আর ছেলেদের বিকেলে স্কুল৷ বিকেলে স্কুল করলে সে খেলাধুলা করবে কখন? আবার বিকেলে স্কুল করে কোচিংয়ে যেতে হয়৷ তাহলে সে খেলাধুলা করবে কখন?

অডিও শুনুন 09:58
এখন লাইভ
09:58 মিনিট
বিষয় | 30.11.2016

‘‘ঢাকায় কিছুটা থাকলেও ঢাকার বাইরে তেমনটা নেই’’

শিশুদের বিষয়ে রিপোর্ট করতে গিয়ে শিশুদের সঙ্গে তো আপনার কথা হয়৷ কী বলে তারা? তাদের সুবিধা-অসুবিধার কথা নিশ্চয় বলে?

অবশ্যই বলে৷ শিশুরা তাদের অধিকারের কথা সবচেয়ে বেশি বলে৷ শিশু অধিকার বাংলাদেশে বলতে গেলে খুব কম দেখা যায়৷ আমি নিজেও পত্রিকায় লিখতে গিয়ে এটা দেখি৷ সবচেয়ে বেশি হলে ১০-১২টি পত্রিকা শিশুদের নিয়ে লেখালেখি করে৷ বাকি কর্তৃপক্ষ তো শিশুদের অধিকারের কথা কিছুই বলছে না৷ আমার মতে, শিশু অধিকারটা এখন নজরদারিহীনতায় আছে৷

বর্তমানে শিশুদের বিনোদনের প্রধান মাধ্যম কী?

আমি নিজেই সাংবাদিকতা করতে গিয়ে অনেক বাচ্চাকে এই প্রশ্ন করেছিলাম৷ তাদের কাছে জানতে চেয়েছিলাম, তুমি বিকেলে কী কর? জবাবে তারা জানায়, মাঠ আছে৷ কিন্তু সেখানে ময়লা৷ তাই মাঠে যাই না৷ ঘরেই বসে থাকি৷ শিশুরা বেশিরভাগ সময় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমেই কাটায়৷ যাদের বয়স ১২ বছরের উপরে তারা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বেশি সময় কাটায়৷ আমি নিজেও মাঠে যেতে পারি না, কারণ, মাঠে ময়লা৷ তাই আমি বাসায় ক্রিকেট খেলা দেখি৷ যখন ক্রিকেট থাকে না, তখন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে সময় কাটাই৷ গলির রাস্তায় খেলতে গেলেও বড়ভাইরা খেলতে দেয় না৷ আর স্কুলের যত অনুষ্ঠান সেটা অডিটোরিয়ামে না হয়ে মাঠে হয়৷ সে কারণে মাঠেও যাওয়া যায় না৷ আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, অধিকাংশ শিশুই টিভি চ্যানেলের সামনে বসে থাকে৷ টিভিতে কী চলছে? বিদেশি কার্টুন৷ তখন সে বিদেশি ভাষা শিখছে, বিদেশি সংস্কৃতি শিখছে৷ অনেক সময় শিশুরা এটাও দেখার সুযোগ পায় না৷ তখন তারা বাবা বা মায়ের সঙ্গে বসে হিন্দি সিরিয়াল দেখে৷ এটা দেখে সে হিন্দি শিখছে, তাদের সংস্কৃতিতে অভ্যস্ত হচ্ছে৷

বাংলাদেশে কি শিশুদের বিনোদনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা আছে বলে তোমার মনে হয়?

আমার মতে, ঢাকায় কিছুটা থাকলেও ঢাকার বাইরে তেমনটা নেই৷ শিশুদের বিনোদনের ব্যবস্থা শিশুদেরই তৈরি করে নিতে হয়৷ বড়রা সহযোগিতা করে না৷ কেউ ঘুড়ি বানিয়ে মাঠে উড়ায়৷ ঘুড়ি তো আর সব সময় উড়ানো যায় না৷ একটা নির্দিষ্ট সময়ে উড়াতে হয়৷ আমি বলতে চাচ্ছি, শিশুদের পর্যাপ্ত বিনোদনের ব্যবস্থা নেই বললেই চলে৷ রাজধানীতে দেখা যায় শিশু পার্ক বয়স্ক পার্ক হয়ে গেছে৷ রমনা পার্কে গেলাম রাইটগুলো ব্যবহার করব, তখন দেখলাম তরুন-তরুণীরা সেটা ব্যবহার করছে৷ আরেকটা কথা, আমি রাজধানীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মাঠ ঘুরে দেখেছি৷ বিকেলে গিয়ে দেখি মাঠগুলো বন্ধ৷ কেন? বিকেলে স্কুল বন্ধ তাই মাঠও বন্ধ৷ ফলে তারা ঘরে বসে থাকে৷ এখন শিশুদের পশ্চিমা সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ বেড়েছে৷ মাঠগুলো বন্ধ থাকায় তারা সিনেমা হলে গিয়ে ইংলিশ মুভি দেখছে৷ ফলে স্কুলের দিক থেকেও শিশু বিনোদনের দিকটা অবহেলিত হয়ে আসছে৷

সংস্কৃতি

সেসেমি স্ট্রিট

শিশুদের অন্যতম প্রিয় এই শিক্ষামূলক অনুষ্ঠানে পরিবেশ বিষয়েও অনেক কিছু শেখানো হয়ে থাকে৷ যেমন পানি অপচয় করা ঠিক নয় কিংবা সবকিছু রিসাইকেল করা উচিত ইত্যাদি৷ মার্কিন জনপ্রিয় এই সিরিজটির বাংলা সংস্করণ ‘সিসিমপুর’ বাংলাদেশের শিশুদেরও বিনোদন দিচ্ছে৷ টুকটুকি, ইকরি, হালুম শিশুদের বেশ প্রিয়৷

সংস্কৃতি

ক্যাপ্টেন প্ল্যানেট অ্যান্ড দ্য প্ল্যানেটিয়ার্স

মার্কিন এই টেলিভিশন সিরিজের মূল বিষয় ছিল পরিবেশ রক্ষা৷ সবুজ পৃথিবী গড়ে তোলা, সাগর ও সেখানকার প্রাণীদের দূষণ থেকে রক্ষা করা, পাখিদের দেখাশোনা করা ইত্যাদি নানান বিষয় তুলে ধরা হয়েছে অনুষ্ঠানটিতে৷

সংস্কৃতি

দ্যা অক্টোনাটস

ব্রিটিশ এই অ্যানিমেটেড সিরিজের মাধ্যমে শিশুদের সাগর ও সেখানকার বাসিন্দাদের সম্পর্কে জানানোর চেষ্টা করা হয়েছে৷ একটি পোলার বেয়ারের নেতৃত্বে আটজনের একটি দলের সাগরের অন্যান্য প্রাণীদের হাত থেকে বেঁচে থাকার সংগ্রাম দেখানো হয়েছে এতে৷ দু’জন বিশিষ্ট জীববিজ্ঞানী এটি তৈরির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন যেন তথ্য সব ঠিক থাকে৷ আরও জানতে উপরে (+) চিহ্নে ক্লিক করুন৷

সংস্কৃতি

দ্যা ওম্বলস

ছবি দেখেই বুঝতে পারছেন ‘ওম্বলস’ হচ্ছে একটি কল্পিত প্রাণী৷ ষাটের দশকে বিভিন্ন উপন্যাসে প্রথম এই প্রাণীদের কথা উল্লেখ করা হয়৷ পরবর্তীতে ব্রিটেনে তাদের নিয়ে একটি টেলিভিশন সিরিজ নির্মিত হয়৷ ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত প্রচারিত ঐ সিরিজে দেখানো হয়, লন্ডনে থাকা ওম্বলসরা পরিবেশ রক্ষায় আবর্জনা সংগ্রহ করে রিসাইকেল করছে৷

সংস্কৃতি

দ্যা অ্যানিমেলস অফ ফার্দিং উড

মানুষ তার নিজের প্রয়োজনে বনজঙ্গল উজাড় করায় সেখানে বসবাসরত পশুপাখিদের কী সমস্যা হয় তা দেখানো হয়েছে এই অ্যানিমেটেড টিভি সিরিজে৷ আরও জানতে উপরে (+) চিহ্নে ক্লিক করুন৷

সংস্কৃতি

বিল নাই দ্যা সায়েন্স গায়

বিজ্ঞানের জটিল বিষয়কে শিশুদের সামনে তুলে ধরতেন বিল গায়৷ এর মধ্যে ইকোলজি, পরিবেশ বিজ্ঞানের মতো বিষয়ও থাকতো৷ তাঁর অনুষ্ঠানটি ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত মার্কিন টেলিভিশনে প্রচারিত হয়েছে৷ বর্তমানে বিভিন্ন সায়েন্স ভিডিওতে তাঁকে দেখা যায়, সেখানে জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয় নিয়েও তিনি আলোচনা করেন৷ আরও জানতে উপরে (+) চিহ্নে ক্লিক করুন৷

সংস্কৃতি

দ্যা ম্যাজিক স্কুল বাস

এই টিভি সিরিজে ফ্রিজল নামের একজন বিজ্ঞান শিক্ষককে দেখানো হয়েছে, যিনি সরীসৃপ, জলবায়ু পরিবর্তন সহ প্রকৃতির নানান বিষয় সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের জানাতে শিক্ষাসফরে নিয়ে যান৷ আরও জানতে উপরে (+) চিহ্নে ক্লিক করুন৷

একটা শিশু বিনোদনের জন্য মা-বাবার কাছে কী প্রত্যাশা করে?

আমি বাবা-মায়ের কাছে একটা জিনিসই চাই যে, তারা যেন আমার সঙ্গে একটু সময় কাটায়৷ বাবা-মা বাইরে বাইরে থাকেন৷ শুধু আমার ক্ষেত্রে না, অনেকের ক্ষেত্রেই এটা হচ্ছে৷ আমার বাবা যেমন চট্টগ্রামে থাকেন৷ আর মা ঘরের কাজে ব্যস্ত থাকেন৷ মা যখন আমার সঙ্গে কথা বলে তখন আমার খুব ভালো লাগে৷ আমার বন্ধুদের কথা আমি জানি, এক বন্ধুর বাবা-মা দু'জনই চাকরি করেন৷ ফলে সে ঘরে একা একা থাকে৷ সে তার মনের কথাগুলো কারো কাছে বলতে পারে না৷ তাই আমার মতে, প্রত্যেক বাবা-মায়ের উচিত সন্তানের সঙ্গে সময় কাটানো৷

আগে শিশুদের বিনোদনের যে মাধ্যম ছিল, আর এখন যে মাধ্যম, তার মধ্যে তুমি কি কোনো পরিবর্তন লক্ষ্য করো?

কিছু পরিবর্তন তো আমি অবশ্যই লক্ষ্য করি৷ এখন শিশুরা কম্পিউটারে গেম খেলে৷ আর টেলিভিশনগুলোতে তো আগের মতো কোনো প্রোগ্রাম হয় না৷ আগে সপ্তাহে শিশুদের কিছু অনুষ্ঠান পাওয়া যেত এখন সেগুলো আর দেখা যায় না৷ এখন টিভিতে নতুন নতুন সিরিয়াল বা মেগাসিরিয়াল দেখানো হচ্ছে৷ ফলে শিশুরা বাধ্য হয়ে বিদেশি চ্যানেলগুলো দেখছে৷ আমার মতে, প্রযুক্তির কারণে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে৷

বিনোদনের বর্তমান মাধ্যম কি শিশুদের মানসিক বিকাশে সহায়তা করছে? তুমি কী মনে কর?

অবশ্যই না৷ কিছুক্ষণ আগেই আমি উদাহরণ দিলাম৷ শিশুরা গেমস খেলছে৷ কী গেমস খেলছে? একটা লোক আরেকটা লোককে মারছে৷ একটা শিশু যখন গেমসের মাধ্যমে আরেকজনকে মারবে তখন তার মধ্যে একটা ইচ্ছে তৈরি হয়, আমি বড় হয়ে এই ধরনের কিছু করব৷ এইভাবেই নিজেকে তৈরি করব৷ এই দিকেই তারা ধাবিত হচ্ছে৷

সমাজ বা রাষ্ট্রের কাছে শিশুদের প্রতিনিধি হিসেবে তোমার প্রত্যাশা কী?

আমার প্রত্যশা হচ্ছে, সবার আগে বাংলাদেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধ করে দিতে হবে৷ দেখেন এখনকী পরিমাণে প্রশ্ন ফাঁস হচ্ছে...! সবাই বলছে সরকার পারছে না, কিন্তু এটা তো করছে কোচিং সেন্টারগুলো৷ একটা সত্য কথা বলতে চাই, আমাদের শিক্ষকরাই হলের মধ্যে ক্ষুদেবার্তা বা চিরকুটের মাধ্যমে শিশুদের উত্তরগুলো পাঠিয়ে দিচ্ছে৷ এখানে সরকারের কোথায় দোষ? কোচিং সেন্টারগুলোর কারণে আমরা বিনোদনের সময় পাচ্ছি না৷ ঐ সময়টা আমাদের কোচিং সেন্টারে যেতে হয়৷ কোচিং সেন্টারের কারণে আমাদের মধ্যে শিক্ষকদের সম্মান করার প্রবণতা কমে যাচ্ছে৷ আমাদের এটা চলে যাচ্ছে টাকার উপর৷ আমার একজন স্যার সেদিন নিজেই বললেন, আমি যদি তোদের কোচিং না করাতাম তাহলে তোরা আমাকে সম্মান করতি৷ টাকা দিয়ে কোচিং করার কারণে তোরা আমাকে সম্মান করিস না৷ এ জন্য সব শিশু ও শিক্ষার্থীদের বলব, আমি কোনো কোচিং সেন্টারে যাই না, তোমরাও কোনো কোচিং সেন্টারে যেও না৷ ক্লাসে মনোযোগ দাও৷ আর সরকারকে বলব, ২০১২ সালে কোচিং সেন্টার বন্ধ করতে যে আইন করা হয়েছিল সেই আইনটি যেন বাস্তবায়ন করে৷ এই আইনটা আইনই রয়ে গেছে, বাস্তবায়ন করা হয়নি৷

আপনার কি কিছু বলার আছে? লিখুন নীচের মন্তব্যের ঘরে৷

লাইবেরিয়া

লাইবেরিয়ার ৬২ শতাংশ শিশুই স্কুলে যায় না৷ তাই তারাই আছে এক নাম্বারে৷

দক্ষিণ সুদান

দক্ষিণ সুদান আছে দ্বিতীয় স্থানে৷ সে দেশের ৫৯ শতাংশ শিশু স্কুলে যায় না৷

ইরিত্রিয়া

ইরিত্রিয়ারও ৫৯ শতাংশ শিশু স্কুলে যায় না৷ তাই দক্ষিণ সুদানের সঙ্গেই আছে তারা৷

আফগানিস্তান

আফগানিস্তানের অবস্থা একটু ভালো৷ দেশটির শতকরা ৪৬ ভাগ শিশু স্কুলে যায় না৷

সুদান

আফ্রিকার আরেক দেশ সুদানের মাত্র ৪৫ শতাংশ শিশু শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত৷

জিবুতি

জিবুতিও আফ্রিকার দেশ্৷ সে দেশের ৪৩ শতাংশ শিশু স্কুলে যায় না৷

গিনি প্রজাতন্ত্র

আফ্রিকার এই দেশটিরও শিশুশিক্ষার অবস্থা খুব খারাপ৷ ইকোয়েটোরিয়াল গিনির ৪২ শতাংশ শিশু স্কুলে যায় না৷

নাইজার

এটিও আফ্রিকার দেশ৷ সেখানে শতকরা ৩৮ ভাগ শিশু স্কুলে গিয়ে লেখাপড়া শেখার সুযোগ পায়নি৷

মালি

মালি-ও আফ্রিকা মহাদেশের দেশ৷ সে দেশের ৩৬ শতাংশ শিশু কখনো স্কুলে যায়নি৷

নাইজেরিয়া

ইউএন ওয়াচের তালিকার দশ নম্বরে আছে নাইজেরিয়া৷ সে দেশের শতকরা ৩৪ ভাগ শিশু স্কুলে যায় না৷