সাংবাদিকের মৃত্যু ঘিরে আন্দোলন

সাংবাদিকের মৃত্যু ঘিরে আন্দোলন

বিশাল আন্দোলন

১৯৮৯ সালে স্লোভাকিয়ার মানুষ রাস্তায় নেমেছিলেন কমিউনিস্ট সরকারের স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে৷ তারপর এত বড় আন্দোলন দেখেনি স্লোভাকিয়া৷ রাজধানী ব্রাতিস্লাভায় প্রায় ৫০ হাজার মানুষ মিছিল করেন৷ সাংবাদিক জান কুসিয়াককে কিছুদিন আগে খুন করে কেউ বা কারা৷ অভিযোগ, কুসিয়াক মাফিয়াদের সঙ্গে এক বিশিষ্ট ব্যবসায়ীর যোগাযোগ প্রকাশ করেছিলেন৷ তারপরেই তাঁকে খুন করা হয়৷

সাংবাদিকের মৃত্যু ঘিরে আন্দোলন

যথেষ্ট হয়েছে ফিকো!

আন্দোলনকারীদের দাবি প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকো এবং তাঁর সরকার পদত্যাগ করুক৷ অভিযোগ, ব্যবসায়ীর সঙ্গে মাফিয়াদের সম্পর্কের ঘটনায় যুক্ত ছিলেন ফিকোর মন্ত্রিসভার সদস্যেরাও৷ তাঁরা পদত্যাগ করলেও স্লোভাক নাগরিকেরা পুরো সরকারেরই পদত্যাগ চাইছেন৷ তাঁদের দাবি দুর্নীতি মোকাবিলায় কোনো পদক্ষেপই করতে পারেনি সরকার৷

সাংবাদিকের মৃত্যু ঘিরে আন্দোলন

ধূমায়িত ক্ষোভ

স্লোভাকিয়ায় জনগণের ক্ষোভ নতুন কিছু নয়৷ বহুদিন ধরেই সেখানকার মানুষের অভিযোগ, সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ করে না৷ কারণ সরকারেরই অনেকে দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত৷ কুসিয়াকের খুন সেই আগুনেই ঘি ঢেলেছে৷

সাংবাদিকের মৃত্যু ঘিরে আন্দোলন

রাজনৈতিক সংকট

স্লোভাক প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেজ কিসকা প্রধানমন্ত্রীর দলের বিরোধীর৷ জনগণের আন্দোলন শুরু হওয়ার পরেই তিনি জানান, সরকার তাদের তিনদলের জোট নিয়ে নতুন করে ভাবনা চিন্তা করুক৷ সকলকে রাখা হবে কিনা সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিক, অথবা সময়ের আগেই নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিক৷ কারণ এই সরকার তার বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে৷

সাংবাদিকের মৃত্যু ঘিরে আন্দোলন

সমাধান সূত্র

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ফিকোর পক্ষে এই সরকার এরপর আর টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে না৷ বস্তুত, কুসিয়াকের শেষ খবরটি মানুষের ওপর তীব্র প্রভাব ফেলেছে৷ সেখানে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে এই সরকারের সঙ্গে মাফিয়া এবং বেআইনি ব্যবসায়ীদের সরাসরি সংযোগ আছে৷

মাত্র কয়েকদিন আগে স্লোভাকিয়ায় খুন হন বিশিষ্ট সাংবাদিক জান কুসিয়াক৷ তারপর থেকেই সেখানে তীব্র আন্দোলন শুরু করেছেন সাধারণ মানুষ৷ তাঁদের দাবি খুনিদের ধরত না পারলে পদত্যাগ করুক সরকার৷

এসজি/ডিজি

আমাদের অনুসরণ করুন