1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

সার্নের বিজ্ঞানীরা নতুন আবিষ্কারের সম্ভাবনায় উল্লসিত

২৩ সেপ্টেম্বর ২০১০

সুইশ-ফরাসি সীমান্তের লার্জ হেড্রন কলাইডারটা নাকি বিগ ব্যাং-এর পরের মুহূর্তগুলোতে যে পদার্থ ছিল, তার কিছুটা সৃষ্টি করতে পেরেছে৷ তবে কি দশ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের অণু চূর্ণ করার যন্ত্রটি সফল হতে চলেছে?

https://p.dw.com/p/PKEy
ছবি: AP

ঘটনাটা যা ঘটেছে, তা বিজ্ঞানী ছাড়া সাধারণ মানুষদের পক্ষে বোঝা সহজ নয়৷ তবে এটুকু বোঝা যাচ্ছে, উচ্চশক্তির প্রোটন সংঘর্ষের মাধ্যমে কম্পিউটারে যে সব অদ্ভূত রিডিং ধরা পড়েছে, তা হয়ত বিগ ব্যাং-এর পরের কয়েক মাইক্রোসেকেন্ডে থাকা ‘‘উষ্ণ, ঘন পদার্থের'' রেপ্লিকা৷ আরও ঘোরালো করে বলতে গেলে, গত জুলাই মাসের মাঝামাঝি সার্নের বিজ্ঞানীরা কলাইডারের সিএমএস বা কমপ্যাক্ট মুঅন সলেনয়েড ডিটেক্টরের তথ্য দেখে ঘাবড়ে যান: কেননা দেখা যায়, প্রোটোনের ধাক্কার আগে যেমন ছিল, তার থেকে সম্পূর্ণ অন্যভাবে কিছু কিছু পদার্থকণিকা পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত আছে৷

যে কম্পিউটারের গ্রাফে ঐ শত শত কোটি প্রোটন সংঘর্ষের চিত্র আঁকা হচ্ছিল, সেই গ্রাফে একটি উত্তোলিত রেখা হিসেবে এই ঘটনাটি পরিলক্ষিত হয়েছে৷

মাটির নীচে ২৭ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের বৃত্তাকৃতি কণিকা বেগবর্ধকটি অতি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তির বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বিগ ব্যাং'এর অতি কাছের পরিবেশ সম্পর্কে একটা আন্দাজ দেয়৷

সিএমএস পরীক্ষাটার সৃষ্টিই কিন্তু হয়েছিল সেই আজও সম্পূর্ণ তত্ত্বগত হিগস-বোসন কণিকার খোঁজে৷ বোসন নামটি কিন্তু এসেছে বোস-আইনস্টাইন স্ট্যাটিস্টিকস থেকে৷ আর ঐ বোস হলেন বাঙালী বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বোস৷

অবশ্য বাকি বিশ্বের বিজ্ঞানীরা কিছু সার্নের সিএমএস'এর বিজ্ঞানীদের পর্যবেক্ষণগুলো বিনা বিতর্কে মেনে নেননি৷ কেননা ইওরোপীয়দের লার্জ হেড্রন কলাইডারের আবার এক প্রতিদ্বন্দ্বী আছে – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে – তার নাম টেভাট্রন৷ এবং টেভাট্রন যে সব রেপ্লিকেশন করতে দশক দশক কাটিয়েছে, সার্নের এলএইচসি সেগুলো গত নভেম্বর থেকে এই এক বছরের কম সময়েই করে ফেলেছে৷

প্রতিবেদন: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ