সাহিত্যে নোবেল পেলেন কাজুও ইশিগুরো

এ বছর সাহিত্যে নোবেল পেয়েছেন ব্রিটিশ সাহিত্যিক কাজুও ইশিগুরো৷ বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ১টায় সাহিত্যে ২০১৭ সালের বিজয়ী হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা করে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি৷

জগতের সাথে মানুষের সম্পর্কের গভীরতর সত্যকে তুমুল আবেগের সাথে উপস্থাপন তাঁর লেখার অন্যতম দিক বলে উল্লেখ করেছে নোবেল কর্তৃপক্ষ৷

১৯৫৪ সালে জাপানের নাগাসাকিতে জন্ম নেয়া এ লেখক পরিবারের সাথে পাঁচ বছর বয়সে পাড়ি জমান যুক্তরাজ্যে৷ ১৯৭০ সালে ইউনিভার্সিটি অব কেন্ট থেকে ইংরেজি ও দর্শনে স্নাতক শেষে ইউনিভার্সিটি অব এঙ্গেলিয়াতে পড়েন সৃজনশীল সাহিত্য নিয়ে৷ তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘আ পেইল ভিউ অফ হিলস’৷ অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাস ‘নেভার লেট মি গো’, ‘অ্যান আর্টিস্ট অফ দ্য ফ্লোটিং ওয়ার্ল্ড’৷ তবে ‘দ্য রিমেইনস অফ দ্য ডে' তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় উপন্যাস, যার উপর ভিত্তি করে নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্রও৷

সংস্কৃতি

প্রথম: জেমস পেটারসন (৯৫ মিলিয়ন ডলার)

টানা তিনবার তাঁর নাম তালিকার শীর্ষে আছে৷ শুধু তাই নয়, দ্বিতীয়জনের সঙ্গে পেটারসনের আয়ের ফারাক ৭৫ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি৷ ফিকশন, নন-ফিকশন, থ্রিলার, রোমান্স, শিশুতোষ সব ধরনের উপন্যাস লেখেন তিনি৷ গিনেস রেকর্ডেও নাম আছে তাঁর৷ কারণ তিনিই প্রথম লেখক যাঁর এক মিলিয়ন ই-বই বিক্রি হয়েছে৷

সংস্কৃতি

দ্বিতীয়: জেফ কিনি (১৯.৫ মিলিয়ন ডলার)

ছোটদের জন্য ‘ডায়রি অফ এ উইম্পি কিড’ লিখে জনপ্রিয় হয়েছেন তিনি৷ তবে বই লেখা ছাড়াও তিনি গেম ডিজাইনার, কার্টুনিস্ট, প্রডিউসার, অভিনেতা, চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে কাজ করেন৷ প্রিন্ট করা বই, ই-বই আর অডিও বইয়ের হিসাব ধরে তালিকা তৈরি করেছে ফোর্বস৷

সংস্কৃতি

তৃতীয়: জে. কে. রাউলিং (১৯ মিলিয়ন ডলার)

হ্যারি পটার সিরিজের এই লেখিকাকে বোধ হয় নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয়ার প্রয়োজন নেই৷ রাউলিংয়ের ফ্যান্টাসি উপন্যাস থেকে নির্মিত হ্যারি পটার সিরিজের মুভিগুলো বেশ ব্যবসা সফল হয়েছে৷ সেখান থেকে লাভের একটি অংশ পেয়েছেন লেখিকাও৷ তালিকায় স্থান পাওয়াদের আয়ের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এসেছে এভাবে৷

সংস্কৃতি

চতুর্থ: জন গ্রিশাম (১৮ মিলিয়ন ডলার)

তিনি একাধারে লেখক, আইনজীবী, রাজনীতিক ও অ্যাক্টিভিস্ট৷ তাঁর লিগ্যাল থ্রিলারগুলো বেশ জনপ্রিয়৷ ৪২টি ভাষায় তাঁর বই অনূদিত হয়েছে৷

সংস্কৃতি

পঞ্চম: স্টেফেন কিং (১৫ মিলিয়ন ডলার)

হরর, সুপারন্যাচারাল ফিকশন, সাসপেন্স, সায়েন্স ফিকশন আর ফ্যান্টাসি লেখক কিং-এর অনেক বই নিয়ে টেলিভিশন শো, সিরিজ, ফিচার ফিল্ম নির্মিত হয়েছে৷

সংস্কৃতি

পঞ্চম: ডানিয়েলে স্টিল (১৫ মিলিয়ন ডলার)

মার্কিন এই লেখকের উপন্যাসে সাধারণত ধনি পরিবারের সংকটের কথা থাকে৷ শিশুদের নিয়ে লেখা বইও আছে তাঁর৷ ২৮টি ভাষায় তাঁর বই অনূদিত হয়েছে৷

সংস্কৃতি

পঞ্চম: নোরা রবার্টস (১৫ মিলিয়ন ডলার)

বছরে গড়ে পাঁচটি বই লেখেন তিনি৷ তাঁর লেখা রোম্যান্স আর ক্রাইম নভেলগুলোর প্রিন্ট সংস্করণের বিক্রি কমে গেলেও ইবুক আকারে বিক্রি ভালোই চলছে৷

সংস্কৃতি

অষ্টম: ই. এল. জেমস (১৪ মিলিয়ন ডলার)

‘ফিফটি শেডস’ সিরিজের উপন্যাস লিখে বিখ্যাত হয়েছেন এরিকা মিচেল, যিনি ই. এল. জেমস নামে পরিচিত৷ ২০১১ সালে ‘ফিফটি শেডস অফ গ্রে’ নামে যৌনকামনা উদ্রেগকারী নভেল দিয়ে শুরু৷ এরপর একে একে প্রকাশিত হয়েছে ‘ফিফটি শেডস ডার্কার’, ‘ফিফটি শেডস ফ্রিড’ এবং ‘গ্রে: ফিফটি শেডস অফ গ্রে অ্যাজ টোল্ড বাই ক্রিস্টিয়ান’৷

সংস্কৃতি

নবম: পাউলা হকিনস (১০ মিলিয়ন ডলার)

৪৪ বছর বয়সি এই ব্রিটিশ লেখিকা ‘দ্য গার্ল অন দ্য ট্রেন’ উপন্যাসের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত৷ এই সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার নিয়ে ২০১৬ সালে একটি মুভিও নির্মিত হয়েছে৷

নিয়ম অনুযায়ী, আগামী ১০ ডিসেম্বর স্টকহোমে তাঁর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেয়া হবে পুরস্কারের ৯০ লাখ ক্রোনার৷

গত বছর নোবেল পেয়েছেন কিংবদন্তি গায়ক ও গীতিকার বব ডিলান৷ গীতিকার হিসেবে তিনিই প্রথম সাহিত্যে নোবেল পেলেন৷ এর আগের বছর সাহিত্যে নোবেল পান বেলারুশের সাংবাদিক এবং লেখিকা সিয়েৎলানা অ্যালেক্সেভিচ৷ পরপর দু'বছর প্রথাগত সাহিত্যের বাইরে দুজন পুরস্কার জেতায় এ বছরও অনেকের জল্পনায় ছিল বিষয়টি৷ তেমন কিছু না হলেও, পছন্দের শীর্ষে থাকা জাপানের হারুকি মুরাকামি ও কেনিয়ার এনগুগি ওয়া থিওংকে পেছনে ফেলে এ পুরস্কার জেতেন কাজুও ইশিগুরো৷  

১৯০১ থেকে এ পর্যন্ত মোট ১১০ জন সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেলেন, যার মধ্যে ১৪ জন নারী৷ সাহিত্যে যৌথভাবে নোবেল দেয়া হয়েছে ২ বার ৷ ১৯১৪, ১৯১৮, ১৯৩৫, ১৯৪০, ১৯৪১, ১৯৪২ ও ১৯৪৩ সালে (যোগ্য কাউকে পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে) সাহিত্যে নোবেল দেয়া হয়নি৷ নোবেল পুরস্কারের ইতিহাসে দুজন সাহিত্যিক নোবেল প্রত্যাখান করেছেন-  বরিস পাস্তেরনাক ও জাঁ পল সার্ত্র৷  

এরই মধ্যে ঘোষিত হয়েছে পদার্থরসায়নে নোবেল বিজয়ীর নাম৷ আগামীকাল শুক্রবার শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে৷

আরএন/এসিবি (এপি,এএফপি,ডিপিএ)

সংস্কৃতি

টম হ্যাঙ্কস-এর প্রথম বই

হলিউডের অন্যতম সেরা অভিনেতা হিসেবে মানা হয় তাঁকে৷ এই অক্টোবরে তিনি আবির্ভূত হচ্ছেন লেখক হিসেবে৷ বের হচ্ছে তাঁর লেখা প্রথম ছোট গল্পের সংকলন৷ হলিউড তারকাদের মধ্যে তিনিই প্রথম নন, যিনি রূপালি পর্দা থেকে সাহিত্য জগতে প্রবেশ করলেন৷ আছেন আরও কয়েকজন তারকা৷

সংস্কৃতি

কেরি ফিশার: রাজকুমারীর চেয়েও বেশি কিছু

‘স্টার ওয়ার্স’-এর কেরি ফিশারের কথা নিশ্চয়ই মনে আছে? তিনি বিখ্যাত তাঁর রসবোধের জন্য৷ কিন্তু অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালীন তাঁর মানসিক অবস্থা, মাদকাসক্তির প্রভাব এ সবের মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি৷ ‘দ্য প্রিন্সেস ডায়ারিস্ট’ প্রকাশিত হয়েছিল তাঁর মৃত্যুর মাত্র এক মাস আগে৷

সংস্কৃতি

ফ্রাঙ্কা পোটেন্টে: লোলা লেখে

‘রান লোলা রান’ এই জার্মান ক্লাসিক চলচ্চিত্রে তাঁর অভিষেকের পর আন্তর্জাতিক খ্যাতি পান ফ্রাঙ্কা৷ তবে তাঁর লেখার জন্য তিনি অতটা পরিচিত নন৷ একসময় তিনি তাঁর সহকর্মী মাক্স উরলেশার এর সঙ্গে অভিনয় নিয়ে চিঠি বিনিময় করতেন৷ এগুলো থেকে তৈরি হয় ছোট গল্প এমনকি একটা উপন্যাস৷

সংস্কৃতি

একটি আন্তর্জাতিক ইহুদি পরিবারের ইতিহাস: আদ্রিয়ানা আলটারাস

আদ্রিয়ানা আলটারাস নিজের ইহুদি পরিবারের ইতিহাস তুলে ধরেছিলেন দু’টি বইতে৷ প্রথমটি ‘টিটোস ব্রিলে’ বেস্ট সেলার হয়েছিল, আর দ্বিতীয়টি ছিল ‘ডয়শা-আইন ইউডিশে মুটার পাকট আউস’৷ জার্মানিতে এটি নিয়ে টিভি সিরিজ এবং চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে৷

সংস্কৃতি

জেমস ফ্রাঙ্কোর কিশোরকালের ভয়

‘স্পাইডার ম্যান’, ‘মিল্ক’-এর জন্য সুপরিচিত অস্কার মনোনয়ন পাওয়া এই অভিনেতা অভিনয় শুরু করেছিলেন টিভি সিরিজ ‘ফ্রিক্স অ্যান্ড গিকস’-এ৷ এ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি ছোটগল্পের সংকলন বের করেন যার নাম ‘পালো অ্যাল্টো’৷

সংস্কৃতি

উইজার্ডরি অ্যান্ড পোয়েট্রি: ড্যানিয়েল রেডক্লিফ-এর আছে অনেক প্রতিভা

মাত্র ১৭ বছর বয়সে জ্যাকব গার্শন ছদ্মনামে কবিতা লিখতেন আমাদের অতি পরিচিত হ্যারি পটার৷ গার্ডিয়ানের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, অভিনেতা হিসেবে একজন মানুষের প্রতিভা প্রকাশের নির্দিষ্ট কিছু জায়গা আছে, কিন্তু শব্দ বা লেখার মাধ্যমে আপনি যেকোন সীমা অতিক্রম করতে পারেন৷’’

সংস্কৃতি

ইথান হাওক-এর ভালোবাসার গল্প

এই অভিনেতা এবং পরিচালক বই প্রকাশ ও চিত্রনাট্য লেখার আগে ২০১৩ সালে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস কে বলেছিলেন, ‘‘একটি বিশ্বাসযোগ্য ভালোবাসার গল্প লেখা, হৃদয়বিদারক দৃশ্য লেখা বা বাস্তব সংলাপ লেখার জন্য কোন ছলনার দরকার হয় না৷ যেটা দরকার সেটা হলো সত্যটা বলা৷’’

সংস্কৃতি

বেওয়াচ তারকা পামেলা অ্যান্ডারসন

অভিনেত্রী পামেলা অ্যান্ডারসন বেওয়াচ-এর অভিনয় শেষে কলম তুলে নিয়েছিলেন৷ তিনি আত্মজীবনী লেখেন ‘স্টার’ অ্যান্ড ‘স্টার স্ট্রাক’ নামে, যে দু’টি ২০০৪ ও ২০০৫ সালে প্রকাশ পায়৷