সুইডেনে ধর্ষণ মামলা ফের চালু হচ্ছে আসাঞ্জের বিরুদ্ধে

জামিনের শর্তভঙ্গের অভিযোগে ৫০ সপ্তাহের দণ্ড নিয়ে যুক্তরাজ্যে জেল খাটার মধ্যে উইকিলকস প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান আসাঞ্জের বিরুদ্ধে সুইডেনের সেই ধর্ষণ মামলা পুনরায় চালু হচ্ছে৷

সোমবার সুইডেনের রাষ্ট্রীয় কৌঁসুলি জানান, তাঁরা আসাঞ্জের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগটি পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন করতে যাচ্ছেন৷ যুক্তরাজ্য থেকে তাঁর ‘বহিঃসমর্পণ'ও চাওয়া হবে ওই আবেদনে৷

আইনজীবী ইভা-ম্যারি পারসন এক সংবাদ সম্মেলন বলেন, ধর্ষণের অভিযোগ চালু এবং প্রাথমিক তদন্ত শেষ করতে চাইছেন তিনি৷ আসাঞ্জ লন্ডনে ইকুয়েডর দূতাবাসে আশ্রয়ে থাকায় ২০১৭ সালে ওই তদন্ত থেমে গিয়েছিল৷

সাত বছর লণ্ডনের ওই দূতাবাসে আটকে থাকার পর গত মাসে অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক আসাঞ্জকে গ্রেপ্তার করে ব্রিটিশ পুলিশ৷ উইকিলসের মাধ্যমে গোপনীয় নথি ফাঁসের অভিযোগে আসাঞ্জকে বহিঃসমর্পণের আবেদন আসছে যুক্তরাষ্ট্র৷

সুইডিশ প্রসিকিউটরের কার্যালয় জানিয়েছে, ধর্ষণের অভিযোগে তারা আসাঞ্জকে গ্রেপ্তারের আবেদন করবেন৷এর ফলে তার বিরুদ্ধে ইউরোপীয় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হতে পারে৷

১০ বছর আগে ইকুয়েডর দূতাবাসে ‘পালানোর সময়' জামিনের শর্তভঙ্গের অভিযোগে আসাঞ্জকে ৫০ সপ্তাহের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত৷ সেই দণ্ড মাথায় নিয়ে তিনি এখন তিনি কারাগারে আছেন৷

সুইডেনে মামলা পুনর্জ্জীবিত করার আবেদনের পর আসাঞ্জকে কোথায় ফেরত পাঠানো হবে, সে নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিতে পারে৷  এই মামলায় সুইডেনে তাঁর বহিঃসমর্পণ হবে, নাকি গোপনীয় নথি ফাঁসের অভিযোগে তাঁকে যুক্তরাষ্ট্র পাঠানো হবে৷

বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ অতিথি তিনি!

যার পোষ্য এই বেড়াল

ওপরের ছবিটি ২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে তোলা, যখন লন্ডনে অবস্থিত ইকুয়েডরের দূতাবাস ছিল জেমস নামে এই বেড়ালটির ঠিকানা৷ এই বেড়ালের মালিক জুলিয়ান আসাঞ্জ, যার দীর্ঘ ৭ বছর দূতাবাসের ভেতর বন্দি থাকার পালা শেষ৷ এখন তাঁর ঠিকানা মধ্য লন্ডনের একটি জেলখানা৷

বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ অতিথি তিনি!

কে এই আসাঞ্জ?

উইকিলিকসের মাধ্যমে বহু গোপনীয় নথি ফাঁস করার কারণে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা আসাঞ্জের বিরুদ্ধে মামলা হয়৷ গ্রেপ্তার আতঙ্ক এবং যুক্তরাষ্ট্রে ফেরত পাঠানোর ভয়ে ২০১২ সালের আগস্ট থেকে লন্ডনে ইকুয়েডর দূতাবাসে অবস্থান নেন তিনি৷

বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ অতিথি তিনি!

কেন গ্রেপ্তার?

ইকুয়েডর সরকার আসাঞ্জের রাজনৈতিক আশ্রয় মঞ্জুর করার পর থেকে সেই দূতাবাসেই অবস্থান করছিলেন তিনি৷ বৃহস্পতিবার ইকুয়েডর কর্তৃক ওই রাজনৈতিক আশ্রয় বাতিলের সিদ্ধান্তে আসার পর গ্রেপ্তারের পদক্ষেপ নেয় লন্ডন পুলিশ৷

বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ অতিথি তিনি!

কেন বাতিল রাজনৈতিক আশ্রয়?

ওপরের ছবিটি লন্ডনের সেই দূতাবাসের, যেখানে আসাঞ্জকে রাখা বাবদ প্রতি বছর ইকুয়েডর সরকারের খরচ হচ্ছিল আনুমানিক এক মিলিয়ন মার্কিন ডলার! ‘বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কনভেনশন এবং দৈনন্দিন প্রটোকল লঙ্ঘনের’ কারণে তাঁর অ্যাসাইলাম বাতিলের পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট লেনিন মোরেনো৷ কিন্তু শুধুই কি এটাই কারণ?

বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ অতিথি তিনি!

অভদ্র অতিথি

প্রেসিডেন্ট মোরেনো বলেন, ‘‘আমরা এই স্পয়েলড ব্র্যাট, অর্থাৎ বখে যাওয়া ছেলের রাজনৈতিক আশ্রয় বাতিল করছি৷’’ এর কারণ আসাঞ্জের বিভিন্ন উদ্ভট অভ্যাস৷ আসাঞ্জ নাকি মধ্যরাতে দূতাবাসের ভেতর সশব্দে স্কেটবোর্ডিং করতেন৷ এছাড়া, তাঁর বিরুদ্ধে ছিল দূতাবাসের কর্মীদের শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগ৷ এত টাকা খরচ করে যে অতিথিকে রাখছিল ইকুয়েডর সরকার, সেই দেশের দূতাবাসের দেওয়ালেই নাকি নিজের মল-মূত্র ছড়াতেন এই ইন্টারনেট-সৈনিক!

বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ অতিথি তিনি!

অফিস থেকে বেডরুম

ইকুয়েডরের দূতাবাস আয়তনে খুব একটা বড় না হলেও একটি অফিসঘরকে সাজানো হয় আসাঞ্জের শয়নকক্ষ হিসাবে৷ কিন্তু দূতাবাসের ভেতর ধীরে ধীরে পালটাতে থাকে আসাঞ্জের ব্যবহার৷ দূতাবাসের কর্মীরা বলছেন, প্রায়ই নাকি নগ্ন হয়ে ঘুরে বেড়াতেন আসাঞ্জ৷ স্নান করতেন না মাসের পর মাস৷ মধ্যরাতে স্কেটবোর্ডিং করার পাশাপাশি জোরে জোরে গানও চালাতেন তিনি, যা একটি দূতাবাসের জন্য বেমানান৷

বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ অতিথি তিনি!

জাতীয় লজ্জা

ছোট দেশ ইকুয়েডর আসাঞ্জের কাণ্ড-কারখানাকে মোটেও ভালো নজরে দেখেনি৷ জানা গেছে, আসাঞ্জের আচরণকে দূতাবাসের ভেতর অনেকেই দেখতেন ‘ইকুয়েডরের লজ্জা’ হিসাবে৷ ফলে, বিশেষজ্ঞরা অনুমান করছেন শুধু আন্তর্জাতিক চাপে নয়, আসাঞ্জের অভদ্র আচরণের কারণেও ইকুয়েডর বাতিল করেছে তাঁর রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন৷ সাথে, জুটেছে ‘বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ অতিথি’ হবার বদনামও৷

বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ অতিথি তিনি!

গোপন তথ্য ফাঁস

উইকিলিকস বিখ্যাত বিভিন্ন রাষ্ট্রের গোপন তথ্য ফাঁস করার জন্য৷ এবং ইকুয়েডরের কাছে আশ্রয় পাওয়া সত্ত্বেও আসাঞ্জ ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট মোরেনোর বেশ কিছু অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ফাঁস করে দেন৷ এর সাথে, গোপন অ্যাকাউন্টে থাকা বিশাল অঙ্কের অর্থের হদিশও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেন আসাঞ্জ৷

বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ অতিথি তিনি!

আসাঞ্জের পক্ষে যারা...

উইকিলিকসের খবর সামনে আসার পর থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন কোণ থেকে উঠে আসছিল আসাঞ্জের পক্ষে আওয়াজ৷ বৃহস্পতিবার আসাঞ্জ গ্রেপ্তার হবার পরও দেখা যায় একই রকমের প্রতিক্রিয়া৷ ইকুয়েডর দূতাবাসের সামনেই প্রতিবাদে নামেন বেশ কয়েকজন৷ দাবি জানান আসাঞ্জকে মুক্ত করার৷ কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে কী হতে চলেছে ‘বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ অতিথি’ হিসাবে খ্যাত ব্যক্তির সাথে, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে৷

এক্ষেত্রে প্রথমে ব্রিটিশ আদালত একটি আদেশ দেবে৷ এরপর সেদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাজিদ জাবিদ সিদ্ধান্ত নিবেন, কোন আবেদনটি গ্রহণ করা হবে৷ তবে সুইডেনের আবেদন অগ্রাধিকার পেতে পারে বলে এক আইনজীবী জানিয়েছেন৷

সুইডিশ প্রসিকিউটররা আসাঞ্জের বিরুদ্ধে প্রাথমিক অভিযোগ দাখিল করেছিলেন৷ যাতে দুইজন নারী অভিযোগ করেন, ২০১০ সালে এক সফরের সময় উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা তাঁদেরেক ধর্ষণ করেছেন৷ এখনও পর্যন্ত ওই নারীদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি৷

ওই অভিযোগ ওঠার পর সুইডেন থেকে ব্রিটেনে চলে যান আসাঞ্জ৷ এরপর সুইডেনে বহিঃসমর্পণের ভয়ে ২০১২ সালে লন্ডনে ইকুয়েডর দূতাবাসে পালিয়েছিলেন তিনি৷

আসাঞ্জ দূতাবাসে আটক থাকার মধ্যে সময় পেছানোর আবেদন করার সুযোগ শেষ হওয়ায় ২০১৭ মামলাটি স্থগিত করেন প্রসিকিউটররা৷ এবার তাঁর আটকের মাধ্যমে নতুনভাবে মামলাটি চালুর সুযোগ হলো৷ অভিযোগ প্রমাণ হলে সুইডেনে আসাঞ্জের চার বছরের কারাদণ্ড হতে পারে৷

উইকিলিকস ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অসংখ্য গোপন নথি ফাঁস করে সারা বিশ্বে সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন ৪৭ বছর বয়সি জুলিয়ান৷ ২০১২ সালে সুইডেনে বহিঃসমর্পণ ঠেকাতে যুক্তরাজ্যে জামিনের শর্ত ভেঙে তিনি ইকুয়েডরের কাছে রাজনৈতিক আশ্রয় চান৷

এরপর থেকে যুক্তরাজ্যোর ইকুয়েডর দূতাবাসে রাজনৈতিক আশ্রয়ে ছিলেন তিনি৷ প্রায় সাত বছর পর গত মাসে ইকুয়েডর রাজনৈতিক আশ্রয় তুলে নিলে আসাঞ্জকে গ্রেপ্তার করে যুক্তরাজ্য পুলিশ৷

এদিকে, মামলার পুনরুজ্জীবনের ফলে অভিযোগকারী নারীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছেন তাঁদের আইনজীবী৷

‘বিস্মিত' আসাঞ্জের আইনজীবী

ব্রিটেনে জেলখাটার মধ্যে আসাঞ্জের বিরুদ্ধে  সুইডেনের মামলাটি পুনরায় চালু করায় ‘গভীর বিস্ময়' প্রকাশ করেছেন তাঁর সুইডিশ আইনজীবী পার ই স্যামুয়েলসন৷

তিনি বলেন, ‘‘একজন মানুষকে এমন মানসিক পীড়ন দেওয়া খুবই অযৌক্তিক৷ কারণ তিনি ব্রিটেনে সাজা ভোগ করছেন এবং যুক্তরাষ্ট্র সাংবাদিকতার কারণে তাঁকে বহিঃসমর্পণের আবেদন ইতোমধ্যে করেছে৷''

মক্কেল আসাঞ্জের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া নিয়েও সন্দিহান আইনজীবী স্যামুয়েলসন৷

এদিকে আসাঞ্জের বিরুদ্ধে মামলা পুনর্জ্জীবনকে ধর্ষণের অভিযোগ থেকে তাঁর খালাসের সুযোগ হিসাবে দেখছেন উইকিলিকসের প্রধান সম্পাদক ক্রিস্টিন রাফনসন৷

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, মামলাটি চালু করার জন্য ‘ভয়াবহ মাত্রায় রাজনৈতিক চাপের মধ্যে' আছেন সুইডিশ প্রসিকিউটর ইভা-ম্যারি পারসন৷ মামলাটি শুরু থেকেই ‘বাজেভাবে' এগোচ্ছিল৷

এমবি/এসিবি (রয়টার্স, ডিপিএ, এপি, এএফপি)

যেসব জনপ্রিয় তারকারা যৌন হয়রানির শিকার

পামেলা অ্যান্ডারসন

‘বে ওয়াচ’ আর ‘প্লেবয়’ পত্রিকার অতি জনপ্রিয় নাম পামেলা অ্যান্ডারসন৷ ১০ বছর বয়সে তাঁর বেবি সিটার পামেলাকে যৌন নির্যাতন করে৷ এরপর মাত্র ১২ বছর বয়সে পামেলার বান্ধবীর এক বড় ভাই-ও তাঁকে ধর্ষণ করেছিল৷

যেসব জনপ্রিয় তারকারা যৌন হয়রানির শিকার

মেরিলিন মনরো

হলিউড অভিনেত্রী মেরিলিন মনরোর শৈশব কেটেছে একটি এতিমখানায়৷ আর সেখানেই বহুবার যৌন হয়রানির শিকার হতে হয়েছিল তাঁকে৷

যেসব জনপ্রিয় তারকারা যৌন হয়রানির শিকার

লেডি গাগা

জনপ্রিয় পপ সংগীত শিল্পী লেডি গাগা জানিয়েছেন, ১৯ বছর বয়সে ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন তিনি৷ এই ঘটনাকে নিজের গান ‘সোয়াইন’-এ তুলে ধরেছেন তিনি৷ তার চেয়ে ২০ বছরের বড় সেই ধর্ষণকারী একজন প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক, যাকে পরবর্তীতে দেখলে গাগা একেবারে স্তব্ধ হয়ে যেতেন৷ অনেক থেরাপি নেয়ার পর এই সমস্যা থেকে মুক্তি পান লেডি গাগা৷

যেসব জনপ্রিয় তারকারা যৌন হয়রানির শিকার

অনুরাগ কাশ্যপ

না কেবল নারী তারকারাই নন, পুরুষ তারকারাও ছেলেবেলায় যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন৷ এমনই একজন বলিউডের বিখ্যাত চিত্র-পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপ৷ ১১ বছর ধরে টানা তাঁর উপর যৌন নির্যাতন চলেছিল বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন তিনি৷ তবে সেই দুঃস্বপ্নকে পেছনে ফেলে অচিরেই সামনে এগিয়ে গেছেন অনুরাগ৷

যেসব জনপ্রিয় তারকারা যৌন হয়রানির শিকার

ম্যাডোনা

বিশ্বখ্যাত পপ শিল্পী ম্যাডোনা ১৯ বছর বয়সে ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন৷ প্রথমবারের মতো নিউ ইয়র্কে এসে তিনি যে অ্যাপার্টমেন্টটি ভাড়া নিয়েছিলেন, সেখানেই এক ব্যক্তি তাংর মুখের সামনে ছুরি ধরে তাঁকে ধর্ষণ করে৷ সেই দুঃসহ স্মৃ্তি আজও ভুলতে পারেন না তিনি৷

যেসব জনপ্রিয় তারকারা যৌন হয়রানির শিকার

অপরাহ উইনফ্রে

টিভি সেলিব্রেটি অপরাহ উইনফ্রে মাত্র ন’বছর বয়সে পরিবারের অতি ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তির দ্বারা ধর্ষিতা হয়েছিলেন৷ উইনফ্রেকে তাঁর ১০ থেকে ১৪ বছর পর্যন্ত টানা ধর্ষণ করেছে ঐ ব্যক্তি৷

যেসব জনপ্রিয় তারকারা যৌন হয়রানির শিকার

সোফিয়া হায়াত

অভিনেত্রী সোফিয়া হায়াতের শৈশবও খুব একটা সুখকর ছিল না৷ তিনিও যৌন হয়রানির শিকার হয়েছিলেন সেই শৈশবে৷ মাত্র ১০ বছর বয়সে তাঁর এক চাচা তাঁকে যৌন নির্যাতন করেছিল৷

যেসব জনপ্রিয় তারকারা যৌন হয়রানির শিকার

আনুষ্কা শংকর

প্রখ্যাত সেতার বাদক রবি শংকরের কন্যা আনুষ্কা শংকর সেতার বাজিয়ে আজ নিজেও বিশ্বনন্দিত৷ পরিবারের অতি ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তির দ্বারা সেই অনুষ্কাও যৌন হয়রানির শিকার হন৷ কিন্তু পরিবারের অতি বিশ্বস্ত হওয়ায় সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরিবারকে কিছু জানাতে পারেননি৷ এতে তাঁর শৈশবের দিনগুলো ছিল ভীষণ পীড়াদায়ক৷ এছাড়া তারকা হওয়ার কারণে অনেক খ্যাতিমান ব্যক্তিত্বই তাঁর স্পর্শকাতর অঙ্গ স্পর্শ করেছে বলে জানিয়েছেন আনুষ্কা৷

যেসব জনপ্রিয় তারকারা যৌন হয়রানির শিকার

কাল্কি কোচেলিন

এনডিটিভি-র এক অনুষ্ঠানে অনেক তারকা যখন নিজেদের ছোটবেলার মধুর স্মৃতি রোমন্থন করছিলেন, কাল্কি কোচেলিন তখন তুলে ধরেছিলেন নিজের জীবনের এক কষ্টদায়ক অভিজ্ঞতার কথা৷ ছোটবেলায় যৌন হয়রানির ভয়ঙ্কর স্মৃতি তাঁকে এখনো তাড়িয়ে বেড়ায় বলে জানিয়েছিলেন বলিউডের এই অভিনেত্রী৷ নারী অধিকার নিয়ে সর্বদা সোচ্চার কাল্কির অবশ্য স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে খোলাখুলি কথা বলতে কোনোদিনই কোনো সংকোচ ছিল না, আজও নেই৷

আমাদের অনুসরণ করুন