1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

সোলেইমানি হত্যার এক বছর, বদলার আশঙ্কা

৩১ ডিসেম্বর ২০২০

জেনারেল সোলেইমানির মৃত্যুর এক বছরে ইরান কি বদলা নেবে? আশঙ্কায় ইরান এবং ইরাকের সাধারণ মানুষ। 

https://p.dw.com/p/3nOgP
বাগদাদ
ছবি: AHMAD AL-RUBAYE/AFP/Getty Images

এক বছর হতে চলল মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছিলেন ইরানের জেনারেল কাসেম সোলেইমানি। ইরাকের একাংশের মানুষের ভয়, এ বছর সেই ঘটনার প্রতিশোধ নিতে পারে ইরান। যাকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াতে পারে ইরান এবং ইরাকে। মার্কিন হামলায় ফের প্রাণ যেতে পারে সাধারণ মানুষের।

কাসেম সোলেইমানির মৃত্যুর পরে কার্যত যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল ইরান এবং অ্যামেরিকার মধ্যে। বস্তুত, সোলেইমানি বাগদাদে গিয়েছিলেন। সেখানেই তাঁর উপর আক্রমণ চালানো হয়। ইরাকের কয়েকটি গোষ্ঠীর সঙ্গে ইরানের সম্পর্ক গভীর। অভিযোগ, ইরানের সরকার ইরাকের কয়েকটি চরমপন্থী গোষ্ঠীকে অর্থ এবং অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করে। সেই কাজেই সোলেইমানি বাগদাদে গিয়েছিলেন বলে অ্যামেরিকার অভিযোগ।

ডিসেম্বরের গোড়ায় ইরানের নেতৃত্ব ফের একবার অ্যামেরিকাকে হুমকি দিয়েছে। বলা হয়েছে, সোলেইমানির মৃত্যুর এক বছরে ইরান তাঁর হত্যার বদলা নেবে। যদিও এই বদলা নেওয়ার কথা আগেও বলেছিল ইরান। তারমধ্যে ইরানের পরমাণু বিজ্ঞানীকেও হত্যা করা হয়েছে।

ইরাক এবং ইরানের একাংশের মানুষের ধারণা, আগামী ২০ জানুয়ারি গদি ছাড়ার আগে ডনাল্ড ট্রাম্প শেষবারের মতো ইরানের উপর আক্রমণ করবেন। সে পরিকল্পনা যে তিনি আগেও করেছিলেন, তার প্রমাণ মিলেছে। এবং সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের ইরান এবং ইরাকে অশান্তি ছড়াবে বলে অনেকেই মনে করছেন। বস্তুত, সোলেইমানি হত্যার পর বাগদাদের গ্রিন জোনে হামলার পরিমাণ বেড়ে গিয়েছে। এই গ্রিন জোনেই মার্কিন দূতাবাস। প্রতি মাসেই সেখানে রকেট হামলা হয়। ইরাকের মানুষের ভয়, ইরান এবং অ্যামেরিকা লড়াইয়ে জড়ালে ইরাকও তার অংশ হয়ে যাবে। কারণ, ইরাকে বহু ইরান সমর্থক আছেন। বেশ কিছু ইরানপন্থী গোষ্ঠী আছে। তারা সকলেই লড়াইয়ের অংশ হয়ে যাবে। এই মুহূর্তে ইরাকে তিন হাজার মার্কিন সৈন্য আছে। ধীরে ধীরে তাদেরও সরিয়ে নেওয়ার কথা বলেছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু লড়াই শুরু হলে অশান্তি আরো বাড়বে বলেই সাধারণ মানুষের আশঙ্কা।

ক্যাথরিন স্খেয়ার/এসজি