1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

হোয়াইট হাউস ছাড়ার ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প

২৭ নভেম্বর ২০২০

সরাসরি হার স্বীকার এখনো করেননি তিনি। তবে হোয়াইট হাউস ছাড়ার ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প।

https://p.dw.com/p/3ltOw
ডনাল্ড ট্রাম্প
ছবি: Erin Scott/REUTERS

আরো এক পা পিছনে গেলেন ডনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানালেন, ইলেকটোরাল কলেজ যদি আনুষ্ঠানিক ভাবে জো বাইডেনকে জয়ী ঘোষণা করে, তা হলে হোয়াইট হাউস ছেড়ে চলে যাবেন তিনি। তবে একই সঙ্গে ট্রাম্প আরো একবার জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি বিশ্বাস করেন, নির্বাচনে রিগিং হয়েছে। কারচুপি হয়েছে। যদিও সে বিষয়ে এখনো পর্যন্ত কোনো প্রমাণ দাখিল করতে পারেননি তিনি।

৩ নভেম্বর নির্বাচনের পর থেকেই ট্রাম্প দাবি করছেন, নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপি হয়েছে। আইনের সাহায্য নেওয়ার হুমকিও তিনি বার বার দিয়েছেন। জো বাইডেন তাঁর থেকে অনেক বেশি ভোটে এগিয়ে যাওয়ার পরেও হার স্বীকার করতে রাজি হননি ট্রাম্প। বস্তুত, এখনো তিনি হার স্বীকার করেননি। তবে এক পা এক পা করে পিছিয়ে যাচ্ছেন।

এর আগে টুইটে একবার হার মানার আভাস দিয়েছিলেন ট্রাম্প। কিছু দিন আগে জেনারেল সার্ভিস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (জিএসএ) বাইডেনকে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট বলে মান্যতা দিয়েছে। যে সংস্থার প্রধান ট্রাম্পের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। কিন্তু প্রকাশ্যে ট্রাম্প হার মানতে চাননি।

এ দিনও ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছেন, ডিসেম্বর থেকে ২০ জানুয়ারির মধ্যে অনেক কিছু ঘটবে। কী ঘটবে? স্পষ্ট করেননি বিদায়ী প্রেসিডেন্ট। জানিয়েছেন, বাইডেনের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই তিনি থামাবেন না। যদিও রিপাবলিকানদের করা অধিকাংশ মামলাই আদালত খারিজ করে দিয়েছে। এ দিন ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইলেকটোরাল কলেজ যদি বাইডেনকে আনুষ্ঠানিক ভাবে জয়ী ঘোষণা করে, তা হলে তিনি হোয়াইট হাউস ছেড়ে দেবেন। আগামী ১৪ ডিসেম্বর ইলেকটোরাল কলেজের চূড়ান্ত নির্বাচনী বৈঠক করার কথা। সেখানেই জয়ী প্রার্থীর নাম আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা হওয়ার কথা।

এখনো পর্যন্ত ট্রাম্প ২৩২ টি ভোট পেয়েছেন। বাইডেন পেয়েছেন ৩০৬টি ভোট। ম্যাজিক ফিগার ২৭০। ফলে বহু ভোটে ট্রাম্পের থেকে এগিয়ে আছেন বাইডেন। ১৪ ডিসেম্বর ইলেকটোরাল কলেজের ঘোষণা কেবলই সময়ের অপেক্ষা।

ট্রাম্প দাবি করেছেন, এ বারের ভোট তৃতীয় বিশ্বের দেশের চেয়েও খারাপ হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, এত কারচুপি এর আগে কখনো হয়নি। ভোটিং মেশিনেও কারচুপি হয়েছে বলে তাঁর দাবি। যদিও সে বিষয়েও কোনো প্রমাণ সামনে আনতে পারেননি তিনি। নির্বাচনী কর্মকর্তারা অবশ্য জানিয়েছেন, এ বারের নির্বাচন সব চেয়ে নিরাপদ ব্যবস্থায় হয়েছে। কারচুপির কোনো সুযোগই ছিল না।

প্রশ্ন হলো, ২০ জানুয়ারি ট্রাম্প কি যাবেন বাইডেনের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে। মার্কিন ঐতিহ্য অনুযায়ী বিদায়ী প্রেসিডেন্ট নতুন প্রেসিডেন্টের শপথ অনুষ্ঠানে থাকেন। ট্রাম্প কী করেন, সেটাই এখন দেখার।

এসজি/জিএইচ (রয়টার্স, এপি)