1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

অ্যাপ যখন বাজার সরকার!

মার্কুস গ্রোস/এসি২১ মে ২০১৫

অ্যাপ-এ অর্ডার দিন, বাজারের ফিরিস্তি দিন, দেখবেন ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যে কেনাকাটা বিল-সহ আপনার বাড়িতে পৌঁছে যাচ্ছে৷ আলাদিনের গল্প নয়, বার্লিনের এক আধুনিক স্টার্ট-আপ, যার নাম ‘শপ-উইংস'৷

https://p.dw.com/p/1FTVC
Symbolbild Einkauf und Smartphone
ছবি: Fotolia/gpointstudio

মোহাম্মেদ শাহরুর বাজার করতে বেরিয়েছেন৷ তাঁকে এক ধরনের বাজার সরকার বলা চলে, বা পেশাদার ‘বাজারু'! বার্লিনের ‘শপ-উয়িংস' স্টার্ট-আপ কোম্পানির হয়ে বাজার করে থাকেন৷ শাহরুর বলেন, ‘‘আমি এই অ্যাপ-এর মাধ্যমে শপ-উয়িংস-এর কাছ থেকে বাজারের তালিকা পাই; তারপর ফিরিস্তি বরাবর বাজার করি, কাউন্টারে দাম চোকাই, গ্রাহকদের বাড়ি পৌঁছে দিই৷ সোজা পথ৷''

গড়ে আটজন গ্রাহকের হয়ে প্রতিদিন বাজার করেন শাহরুর৷ ঘণ্টায় রোজগার হয় বিশ ইউরো৷ গ্রাহকরা ইন্টারনেটে পাঁচটি সুপারমার্কেটের ওয়েবসাইট থেকে পণ্য বাছতে পারেন৷ সেই ফরমায়েশ পৌঁছয় শাহরুর-এর স্মার্টফোনে৷ কোনো জিনিস পাওয়া না গেলে, গ্রাহককে টেলিফোনে তা জানানো হয়৷

খাবার জিনিস অনলাইনে কেনাকাটা করাটা খুব নতুন নয়৷ সারা বিশ্বের নানান সুপারমার্কেট বাড়িতে বসে অনলাইনে কেনাকাটা করার সুযোগ দেয়৷ শপ-উয়িংস আর এক ধাপ এগিয়ে গ্রাহকদের সঙ্গে ব্যক্তিগত আদানপ্রদান আর বিভিন্ন দোকানে কেনাকাটার সুযোগ রেখেছে৷ এদের পথিকৃৎ হল মার্কিন মুলুকের একটি স্টার্ট-আপ – নাম, ‘ইনস্টাকার্ট'৷

অর্ডার পাবার বড়জোর দু'ঘণ্টার মধ্যে মোহাম্মেদ শাহরুর কেনাকাটা বাড়িতে পৌঁছে দেন৷ সে জন্য খদ্দেরকে পাঁচ ইউরো মতন মাশুল গুনতে হয়৷ শাহরুর বলেন, ‘‘আমি ছাত্র, তার ওপর আবার চাকরি করি৷ ফলে বাড়ি ফিরতে দেরি হয়ে যায়৷ কাজেই কেউ যদি সন্ধ্যায় বাজার করে সেগুলো সময়মতো বাড়ি পৌঁছে দেয়, তাহলে সেটা একটা দারুণ ব্যাপার৷''

স্কিপ নেক্সট সেকশন এই বিষয়ে আরো তথ্য

এই বিষয়ে আরো তথ্য