1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

আসাঞ্জের বিরুদ্ধে ধর্ষণের তদন্ত প্রত্যাহার

১৯ মে ২০১৭

উইকিলিক্স প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান আসাঞ্জের বিরুদ্ধে ধর্ষণের তদন্ত প্রত্যাহার করলেন সুইডিশ কৌঁসুলিরা৷ এর ফলে গত সাত বছরের আইনগত টানাহ্যাঁচড়ার অবসান ঘটল৷ তবে ব্রিটিশ পুলিশ এখনও আসাঞ্জকে গ্রেপ্তার করতে পারে৷

https://p.dw.com/p/2dFFZ
Julian Assange London Großbritannien
ছবি: Reuters/P.Nicholls

মুখ্য কৌঁসুলি মারিয়ান্নে নাই জানান যে, আসাঞ্জের বিরুদ্ধে তদন্ত বাতিল করা হয়েছে, কেননা, তিনি ‘‘আসাঞ্জকে অদূর ভবিষ্যতে গ্রেপ্তার করার কোনো সম্ভাবনা দেখেন না৷’’

শুক্রবার স্টকহোম জেলা আদালতে পেশ করা নথিপত্রে মারিয়ান্নে লিখেছেন, ‘‘তদন্ত চালিয়ে যাবার সব সম্ভাবনা নিঃশেষ হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এবং সুপ্রিম কোর্ট এই মামলায় আনুপাতিকতার মূল্যায়নে যে মত প্রকাশ করেছেন, তার কথা স্মরণ করে এটা বলা যায় যে, একটি ইউরোপীয় গ্রেপ্তারি পরোয়ানার মাধ্যমে জুলিয়ান আসাঞ্জের অনুপস্থিতিতে তাঁকে গ্রেপ্তারের প্রচেষ্টা ক্রমেই অনুপযোগী হয়ে উঠছে৷’’ কাজেই এই তদন্ত চালিয়ে যাবার কোনো কারণ দেখেন না সরকারি কৌঁসুলি৷

সুইডেনে তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ থাকায় বহিষ্কার এড়ানোর জন্য লন্ডনের ইকুয়েডর দূতাবাসে আশ্রয় নেন আসাঞ্জ এবং সেখানেই তিনি ২০১২ সাল থেকে বাস করছেন৷ তাঁর ভয় ছিল, সুইডিশ কর্তৃপক্ষ তাঁকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দেবেন৷ উইকিলিক্সে গোপন সামরিক ও কূটনৈতিক তথ্য ফাঁস করার জন্য যেখানে তাঁর মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে বলে আসাঞ্জ আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন৷

ধর্ষণের অভিযোগ সংক্রান্ত তদন্ত শুরু হয় ২০১০ সালে এবং তখন থেকেই নানা প্রক্রিয়াগত জটিলতায় জড়িয়ে পড়েছে৷ অভিযোগ সংক্রান্ত মামলা দায়ের করার শেষ তারিখ হল ২০২০ সালের আগস্ট৷ শুক্রবার ছিল আসাঞ্জের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার মেয়াদ বাড়ানো অথবা তুলে নেওয়ার শেষ তারিখ৷

যুক্তরাজ্যে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এখনও জারি

ব্রিটিশ পুলিশ বলেছে যে, আসাঞ্জ যে জামিনে মুক্তি পেয়ে জামিন ভঙ্গ করে পলায়ন করেছেন, সেই দৃষ্টিকোণ থেকে তিনি আজও ফেরারি এবং ইকুয়েডর দূতাবাস পরিত্যাগ করলেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হবে৷ গ্রেপ্তার করা হলে তাঁর সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড হতে পারে৷

সুইডিশ কৌঁসুলির বিবৃতির পর উইকিলিক্স টুইট করে, ‘‘জুলিয়ান আসাঞ্জকে হস্তান্তরের জন্য কোনো মার্কিন ওয়ারেন্ট এসেছে কিনা, যুক্তরাজ্য তা স্বীকার বা অস্বীকার করতে নারাজ৷ সবার চোখ এখন যুক্তরাজ্যের দিকে৷’’

এসি/এসিবি (রয়টার্স, এপি)

প্রিয় পাঠক, আপনি কিছু বলতে চাইলে লিখুন নীচে মন্তব্যের ঘরে...