1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

কলকাতা বইমেলার উদ্বোধন হলো মিলন মেলা প্রাঙ্গনে

দেবারতি গুহ২৭ জানুয়ারি ২০০৯

মঙ্গলবার ৩৩-তম আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলার উদ্বোধন করলেন পশ্চিম বঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য৷

https://p.dw.com/p/GhUM
পশ্চিম বঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য (ফাইল ফটো)ছবি: DW

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতার মেয়র বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য, স্কটিশ লেখক আলেকজান্ডার ম্যাকলস্মিথ প্রমুখেরা৷

ময়দান নয়, সল্টলেক স্টেডিয়াম চত্বরও নয়, বারবার ঠাঁইনাড়া হওয়া কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা এবার বসেছে ই এম বাইপাসের ধারে মিলন মেলা প্রাঙ্গনে৷ মঙ্গলবার বিকেলে সেই মেলার উদ্বোধন করতে এসে মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের গলায় ছিল গত বছরের মেলা না হওয়ার বিষাদ৷

সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, তাঁর ভাষণেও আক্ষেপ করলেন সেই না হওয়া মেলা নিয়ে৷ নিজের খুশির কথা জানালেন, যে শেষমেষ মেলা আবার হচ্ছে৷

এবারের ৩৩-তম আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলার থিম দেশ স্কটল্যান্ড৷ সে দেশের জনপ্রিয় রহস্য গল্প লেখক আলেকজান্ডার ম্যাকলস্মিথ তাঁর ভাষণ শুরু করলেন খাস বাংলায় নমস্কার জানিয়ে৷ স্কটল্যান্ডের সঙ্গে কলকাতার যোগাযোগের কথা বলতে গিয়ে উল্লেখ করলেন শিক্ষাবিদ আলেকজান্ডার ডাফ-এর কথা৷ বললেন রবিঠাকুরের কথাও৷ এছাড়াও, স্কটল্যান্ডের সাহিত্যকে ভালোভাবে জানতে কলকাতার নাগরিকদের পাশাপাশি ম্যাকলস্মিথ আমন্ত্রণ জানান মুখ্যমন্ত্রীকেও৷

এবারের বইমেলায় সাহিত্য জীবনের স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কার দেওয়া হলো লোকপ্রিয় সাহিত্যিক প্রফুল্ল রায়কে৷ তাঁর মনন জুড়ে এখনও বাংলার মনোরম ভূখন্ড, তাঁর সহানুভূতি এখনও দরিদ্র, প্রত্যন্ত মানুষদের প্রতি৷ আর সেই সাধারণ মানুষদের কথাই বললেন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য-ও৷ কলকাতা বইমেলার মাধ্যমে রাজ্যের ব্যবসায়িক দিকের বিকাশ যে হবে – সে কথা মনে করিয়ে দিয়েও বললেন বইয়ের মাধ্যমে জীবনের নানা উত্তর খোঁজার কথাও৷