1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

শান্তিরক্ষীদের শাস্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে যুক্তরাষ্ট্র এ বিষয়ে একটি প্রস্তাব পাসের চেষ্টা চালালেও তাতে তেমন সাড়া দেয়নি রাশিয়া ও চীন৷ অন্যদিকে অন্যতম সেনা সরবরাহকারী দেশ বাংলাদেশ মনে করে, বাজেট কমালে প্রভাব পড়বে শান্তিরক্ষায়৷

https://p.dw.com/p/34ofN
ছবি: picture-alliance/dpa/N. Bothma

জাতিসংঘে মার্কিন দূত নিকি হ্যালি জানান, যেসব শান্তিরক্ষী বেসামরিক নাগরিকদের ওপর নির্যাতন চালায় এবং তাঁদের রক্ষায় ব্যর্থ হয়, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার পক্ষে তাঁর দেশ৷ এ লক্ষ্যে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে চাপ দেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি৷

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের বিরুদ্ধে সম্প্রতি বেশকিছু যৌন নির্যাতনের অভিযোগ এসেছে৷ এছাড়াও সাউথ সুদান এবং সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে মারাত্মক সহিংসতার হাত থেকে বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষায় শান্তিরক্ষীরা ব্যর্থ হয়েছেন বলেও অভিযোগ অনেকের৷

নিরাপত্তা পরিষদে এ বিষয়ে বিতর্ক চলাকালে নিকি হ্যালি বলেন, ‘‘এমনকি কিছু ক্ষেত্রে শান্তিরক্ষীদেরই নির্যাতন এবং শোষণে জড়িত থাকার প্রমাণও মিলেছে৷''

হ্যালি বলেন ‘শান্তিরক্ষীদের ভূমিকা বাড়াতে’ নিরাপত্তা পরিষদে যুক্তরাষ্ট্র একটি খসড়া প্রস্তাব উত্থাপন করবে৷ খসড়া প্রস্তাবে, অসদাচরণে দায়ী শান্তিরক্ষীদের দেশে ফেরত পাঠানো এবং বেতন কাটার প্রস্তাব রাখা হয়েছে৷

বিশ্বজুড়ে ১৪টি মিশনে জাতিসংঘের ৯৬ হাজার শান্তিরক্ষী মোতায়েন আছেন৷ এই বিপুল সংখ্যক শান্তিরক্ষীদের জন্য বার্ষিক ৬৯০ কোটি ডলার খরচ করতে হয় জাতিসংঘকে৷ এর চার ভাগের এক ভাগ বরাদ্দ চায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র৷

প্রতিক্রিয়া

রাশিয়া ও চীন অবশ্য এই খসড়া প্রস্তাব নিয়ে তেমন আগ্রহ দেখায়নি৷ দেশদুটি বলছে, যেসব দেশ শান্তিরক্ষা মিশনে সৈন্য পাঠায়, তাঁদের মতামতেরও গুরুত্ব দেয়া উচিত৷

রাশিয়ার দূত বাসিলি নেবেনসিয়া বলেন, নিরাপত্তা পরিষদের ‘মাইক্রো-ম্যানেজমেন্টে' জড়িয়ে পড়া ঠিক নয় এবং শান্তিরক্ষা মিশনের সুনির্দিষ্ট ও পরিষ্কার রাজনৈতিক ম্যান্ডেট থাকা উচিত৷

প্রস্তাব পাসের মাধ্যমে সেনা সরবরাহকারী দেশগুলোকে শাস্তি দেয়ার চেয়ে দেশগুলোকে এ ব্যাপারে রাজনৈতিকভাবে সচেতন করার ব্যাপারে রাশিয়া বেশি আগ্রহী বলেও মন্তব্য নেবেনসিয়ার৷

শান্তিরক্ষী মিশনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সেনা সরবরাহকারী দেশ বাংলাদেশ মনে করে পর্যাপ্ত সম্পদ ও জনবল থাকার সাথে মাঠের ফল ওতপ্রোতভাবে জড়িত৷ ফলে দেশটি সতর্ক করে দিয়েছে, ‘‘পারফরম্যান্সে কথিত ব্যর্থতার অজুহাতে বাজেট ও সেনা কমানোর ফলে রাজনৈতিকভাবে লাভবান হলেও, তাতে শান্তিরক্ষার মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে৷''

এডিকে/এসিবি(এপি, এএফপি)