1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

এসপিডি দলের মধ্যে কোন্দল

৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

বিদায়ী জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিগমার গাব্রিয়েল এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, পদ খোয়ালে তাঁর শিশুকন্যা খুশি হবে৷ দলের শীর্ষ নেতা মার্টিন শুলৎসের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সে ক্ষেত্রে তাঁর কাজ করতে হবে না৷

https://p.dw.com/p/2sOHW
বিদায়ী জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিগমার গাব্রিয়েল
ছবি: picture-alliance/dpa/B. Pedersen

জার্মানিতে সম্ভাব্য সরকারের কোয়ালিশন চুক্তির কালি শুকাতে না শুকাতেই দুই প্রধান শরিক দলের মধ্যে কোন্দল বেড়ে চলেছে৷ বিশেষ করে এসপিডি নেতৃত্বের মধ্যে খোলামেলা বিরোধের ফলে দলের সদস্যদের ভোট নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ছে৷ দলের যুব শাখা আনুষ্ঠানিকভাবে মহাজোট সরকারে যোগ দেবার বিপক্ষে প্রচার অভিযান শুরু করে দিয়েছে৷ ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি দলের শীর্ষ নেতারা মহাজোটের পক্ষে প্রচার শুরু করবেন৷

তবে সবচেয়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে বিদায়ী পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিগমার গাব্রিয়েলের এক সাক্ষাৎকার৷ এসপিডি দলের প্রাক্তন প্রধান গাব্রিয়েল কোনো রাখঢাক না করে তাঁর ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেছেন, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে তাঁর প্রতি চরম অবিচার করা হচ্ছে৷ পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে তিনি যে কাজ করেছেন, তা সত্ত্বেও প্রস্তাবিত নতুন সরকারে মন্ত্রী হিসেবে তাঁর নাম বিবেচনা করা হচ্ছে না৷ জনমত সমীক্ষায় জার্মানির সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনীতিক হওয়া সত্ত্বেও নিজের দলে আজ তাঁর কোনো স্বীকৃতি নেই৷ দলের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধার অভাবের কারণে দুঃখ প্রকাশ করেছেন গাব্রিয়েল৷ নিজের ভবিষ্যৎ জীবন সম্পর্কে প্রশ্নের উত্তরে তিনি নিজের শিশুকন্যাকে উদ্ধৃত করে বলেছেন, বাবার ব্যস্ত জীবনযাত্রা শেষ হলে সে খুবই খুশি হবে৷ ‘মুখে চুলওলা লোক'-এর সঙ্গে সময় না কাটিয়ে বাবা তার কাছে থাকলে সে খুব খুশি হবে৷

এসপিডি দলের উপ-নেতা ওলাফ শলৎস অবশ্য গাব্রিয়েলের অবদানের স্বীকৃতি দিয়ে বলেছেন, প্রস্তাবিত নতুন সরকারের ক্ষেত্রে ব্যক্তি নয়, বিষয়কেই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে৷ সবার আগে দেশের কল্যাণকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে৷ দলের আরেক নেতা মনে করিয়ে দিয়েছেন, উচ্চ স্তরের পদ বরাবরই সীমিত সময়ের জন্য কাউকে দেওয়া হয়৷ বেশিরভাগ নেতার মতে, দলের মধ্যে এই কোন্দলের প্রভাব সদস্যদের ভোটাভুটির উপর পড়বে না৷

চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের সিডিইউ দলের মধ্যেও অসন্তোষ বেড়ে চলেছে৷ বিশেষ করে প্রস্তাবিত সরকারে যথেষ্ট সংখ্যক মন্ত্রীর পদ না পেয়ে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন৷ কেউ কেউ বলছেন, এর ফলে দলের অবস্থান অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়বে এবং প্রভাব-প্রতিপত্তি হারাবে৷ তাছাড়া সরকার গড়া সম্ভব হলে উচ্চ পদে নারী ও তরুণ প্রজন্মকে অগ্রাধিকার দেবার দাবিতেও অনেকে সোচ্চার হয়ে উঠেছেন৷ দলে ম্যার্কেলের ঘনিষ্ঠ নেতা পেটার আল্টমায়ার অবশ্য সমালোচনার জবাব দিয়ে বলেছেন, কোয়ালিশন চুক্তিতে দলীয় নীতির যথেষ্ট প্রতিফলন ঘটেছে৷ মন্ত্রীর সংখ্যা সেখানে বড় বিষয় নয়৷ 

এসবি/এসিবি (ডিপিএ, রয়টার্স)