1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

যুক্তরাষ্ট্রের গির্জায় ইস্টার জমায়েতের ঘোষণা

১০ এপ্রিল ২০২০

ইস্টার সানডেতে কয়েকটি গির্জা সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেয়ার কথা বলছে৷ বলছে, এটা তাদের অধিকার৷ অথচ করোনা ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে জমায়েত না করার জন্য স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা আগেই সাবধান করে দিয়েছেন৷

https://p.dw.com/p/3akhC
Symbolbild Katholizismus und Coronavirus | Südkorea
ছবি: Imago Images/AFLO

আগামী পরশু ইস্টার সানডে৷ সাধারণত এদিন চার্চগুলোতে বড় করে প্রার্থনা ও সেবার আয়োজন করা হয়৷ কিন্তু এবারের প্রেক্ষাপট ভিন্ন৷ নতুন করোনা ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাবে যুক্তরাষ্ট্রসহ ভুগছে পুরো বিশ্ব৷ এ অবস্থায় প্রায় সব দেশেই একজায়গায় বেশি লোকের জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে৷ বন্ধ করা হয়েছে গির্জা, মসজিদ, সিনাগগ, মন্দিরসহ বিভিন্ন উপাসনালয়ে বড় জমায়েত৷ ইস্টার সানডেতে পৃথিবীর বেশিরভাগ চার্চই সেই নির্দেশ মান্য করবে বলে আশা করা হচ্ছে৷ যুক্তরাষ্ট্রেও অধিকাংশ মানুষ ঘরে বসেই উদযাপন করবেন এই ধর্মীয় উৎসবটি৷ কিন্তু সে দেশের কয়েকটি গির্জা বেঁকে বসেছে৷ তারা বলছে, গির্জা খুলে মানুষকে ঢুকতে দেয়া তাদের অধিকার৷

‘‘শয়তান ও একটি ভাইরাস আমাদের থামাতে পারবে না,’’ লুজিয়ানার বাটন রুজের কাছে একটি চার্চের যাজক রেভারেন্ড টনি স্পেল বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ কথা বলেন৷ তিনি আশা করছেন রোববার দুই হাজারের বেশি মানুষ জড়ো হবেন চার্চে৷

‘‘ইশ্বর যে কোন দুর্যোগ ও অসুখ থেকে আমাদের বাঁচাবেন,’’ স্পেল বলেন৷ ‘‘আমরা ভয় পাই না৷ মার্কিন ভূখণ্ডে যিশুবিরোধী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দাঁড়াতে ইশ্বর আমাদের আদেশ করেছেন৷ আমরা যিশুর এ আহ্বান ছড়িয়ে দেবো৷’’

এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত হয়েছেন চার লাখ ৩১ হাজারেরও বেশি মানুষ৷ মারা গেছেন ১৪ হাজার সাতশ'রও বেশি৷ কর্তৃপক্ষ আরো খারাপ অবস্থার আশঙ্কা করছে৷ এ অবস্থায় ইস্টারে প্রধান ক্যাথলিক ও প্রটেস্ট্যান্ট চার্চগুলো অনলাইনে প্রার্থনা ও সেবার আয়োজন করবে৷ এমনকি যেসব সংগঠন ধর্ম পালনের স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করে, তারাও এ সময় কোনো প্রতিবাদ করছে না এই যুক্তিতে যে, শুধু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নয়, বিধিনিষেধ জারি হয়েছে সব ধরনের প্রতিষ্ঠানের ওপর৷ মানুষের নিরাপত্তাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে তারা৷ 

উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রাজ্য ইডাহোতে আমন বান্ডি নামের স্থানীয় এক নেতা কয়েকশ' মানুষ নিয়ে ইস্টার পালনের ঘোষণা দিয়েছেন বলে জানাচ্ছে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো৷ অন্যদিকে, ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যের লোদি শহরে লকডাউন ঘোষণার পর একটি এভানজেলিকাল ক্রস কালচার সেন্টারের তালা বদলে তা বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ৷ এরপরও এর যাজক জন ডানকান তার ৮০ জন অনুসারীকে নিয়ে হাজির হয়েছিলেন গেল রোববার৷ যেহেতু ইস্টার সানডেতেও চার্চটি তালাবদ্ধ থাকবে, তাই তিনি অনুসারীদের সববেত হবার জন্য বিকল্প জায়গার ঘোষণা দেবেন বলে জানিয়েছেন৷ চার্চটির অ্যাটর্নি এমনকি শহর কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগও দায়ের করেছেন৷

‘‘একটা ভাইরাস আমাদের অধিকার হরণ করবে তা আমরা মানি না,’’ বলেন তিনি৷ আরো বলেন, ‘‘আমরা নরকের দরজার বিপরীতে দাঁড়িয়ে ইশ্বরকে স্মরণ করবো৷’’

জেডএ/এসিবি (রয়টার্স)

স্কিপ নেক্সট সেকশন এই বিষয়ে আরো তথ্য

এই বিষয়ে আরো তথ্য