প্রতারণার গল্প নিয়ে যত সিনেমা

প্রতারণার গল্প নিয়ে যত সিনেমা

‘ক্যাচ মি ইফ ইউ ক্যান’ (২০০২)

বাবা-মায়ের ডিভোর্সের পর চেক জালিয়াতির মাধ্যমে প্রতারণার সূচনা হয় ফ্রাঙ্ক আবাগনালের৷ মাত্র ১৬ বছর বয়সেই রেখেছিলেন প্রতারক হিসেবে সাফল্যের স্বাক্ষর৷ পর্যায়ক্রমে পাইলট, এরপর ডাক্তার এবং আইনজীবীর ভূমিকা পালন করতে দেখা যায় তাকে৷ স্টিভেন স্পিলবার্গের মনোমুগ্ধকর সিনেমাটিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও৷

প্রতারণার গল্প নিয়ে যত সিনেমা

‘ক্যান ইউ এভার ফরগিভ মি?’ (২০১৮)

আপনার লেখার হাত যদি ভালো হয়, তাহলে অর্থকষ্ট আপনার কাছে ব্যাপারই না! তেমনই এক দৃষ্টান্ত আর্থার লি ইসরায়েল, যিনি তারকাদের নাম করে ৪০০টি চিঠি লিখেন এবং সেগুলো বিক্রি করে হাতিয়ে নেন বিপুল অর্থ৷ এক সময় এফবিআইয়ের হাতে ধরা পড়লে অপরাধ স্বীকার করে নেন তিনি৷ পরবর্তীতে তার আত্মজীবনীর ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয় সিনেমাটি৷ এটি ২০১৯ সালের অস্কারে ৩টি ক্যাটেগরিতে মনোনয়ন পায়৷

প্রতারণার গল্প নিয়ে যত সিনেমা

‘ম্যুনশাউজেন’ (১৯৪৩)

জার্মানির হিয়ারোনিমুস কার্ল ফ্রিডরিশ ফ্রাইহার ফন ম্যুনশাউজেন একজন প্রতিভাবান গল্পকথকও ছিলেন৷ গ্রামের বাড়িতে অভিজাত ব্যক্তিদের নিয়ে তিনি বিভিন্ন পার্টির আয়োজন করতেন এবং ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে নিজের গল্প বলতেন৷ কীভাবে তিনি কামানের গোলায় ভর করে বহুদূর পাড়ি দিয়েছেন, এমন গল্প শুনতেও মানুষ আসতো সেখানে৷ ‘মিথ্যাবাদী’ এই ব্যারনের গল্প বিভিন্ন সিনেমায় ঠাঁই পেয়েছে৷ এর একটি ১৯৪৩ সালের ‘ম্যুনশাউজেন’৷

প্রতারণার গল্প নিয়ে যত সিনেমা

‘আই লাভ ইউ ফিলিপ মরিস’ (২০০৯)

চার বার জেল থেকে পালাতে পেরেছেন স্টিভেন জে রাসেল৷ এই প্রতারক তার প্রতিভা দিয়ে বিচারক, ডাক্তার ও মিলিয়নেয়ারসহ বিভিন্ন রূপ ধারণ করেছিলেন৷ আর এসব করেই ব্যাংক ও ইন্সুরেন্স কোম্পানি থেকে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিয়েছিলেন৷ কমেডি চলচ্চিত্র ‘আই লাভ ইউ ফিলিপ মরিস’-এ রাসেলের চরিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়৷ কারাগারের সহবন্দি ফিলিপ মরিসের সঙ্গে তার প্রেমের নানা দিকও আছে ওই সিনেমায়৷

প্রতারণার গল্প নিয়ে যত সিনেমা

‘অ্যামেরিকান হাসেল’ (২০১৩)

দুর্নীতিবাজ রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে ১৯৭০ সালে এফবিআইয়ের একটি অভিযানের উপর ভিত্তি করে নির্মিত হয়েছে এই সিনেমা৷ একজন প্রতারককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল সেই অভিযানে৷ সিনেমাটি মোট ১০টি অস্কার নমিনেশন পেলেও পুরস্কার ঘরে তুলতে পারেনি৷

প্রতারণার গল্প নিয়ে যত সিনেমা

‘দ্য ক্যাপ্টেন ফ্রম ক্যোপেনিক’ (১৯৫৬)

১৯০৬ সালে ক্যাপ্টেনের সাজ নিয়ে ক্যোপেনিকের টাউন হলে যান মুচি ফ্রিডরিশ ভিলহাইম ফোইগট৷ মেয়রকে গ্রেপ্তারের পর ট্রেজারিতে ডাকাতিও করেন তিনি৷ এই ডাকাতিতে তিনি কিছু সৈন্যকেও কাজে লাগাতে পেরেছিলেন৷ সত্য ওই ঘটনার উপর অনেকগুলো সিনেমা নির্মিত হয়েছে, তার একটি ‘দ্য ক্যাপ্টেন ফ্রম ক্যোপেনিক’৷

ব্যাংক হিসাব শূন্য, অথচ চেক দিয়ে কোটি কোটি ডলার তুলছেন৷ আবার তিনিই বনে যাচ্ছেন পাইলট, ডাক্তার কিংবা আইনজীবী৷ মুচি ক্যাপ্টেন বনে গ্রেপ্তার করলেন সিটি মেয়রকে৷ বিশ্বব্যাপী এমন অনেক প্রতারণার গল্প উঠে এসেছে বিভিন্ন সিনেমায়৷

নাডিন ভোইসিক/এমবি/এসিবি

আমাদের অনুসরণ করুন