1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

ইসরায়েলের রাজধানী হবে জেরুসালেম?

৪ ডিসেম্বর ২০১৭

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জেরুসালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিতে পারেন বলে মনে করছেন কূটনীতিক ও বিশ্লেষকরা৷ মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক মার্কিন দূত জারেড কুশনারের বক্তব্যেও সেই আভাস পাওয়া গেছে৷

https://p.dw.com/p/2oiB5
জেরুসালেম
ছবি: picture alliance/dpa/R.Holschneider

রবিবার এক অনুষ্ঠানে কুশনার বলেন, ‘‘প্রেসিডেন্ট তাঁর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছেন৷ এক্ষেত্রে তিনি অনেক বিষয় ভেবে দেখছেন৷ যখন তিনি সিদ্ধান্ত নিয়ে নেবেন তখন তিনিই তা আপনাদের জানাতে চাইবেন৷'' এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে কুশনার বুধবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জেরুসালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেবেন বলে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তা অস্বীকার করা থেকে বিরত থাকলেন৷

ট্রাম্প যদি এমন ঘোষণা দেন তাহলে মধ্যপ্রাচ্যের নেতারা যেন সেই সিদ্ধান্তে বিরোধিতা করেন সেই চেষ্টা করে যাচ্ছে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ৷ আরব লিগের প্রধান আহমেদ আবুল ঘাইট বলেছেন, ট্রাম্প যদি সত্যিই জেরুসালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেন তাহলে অত্র অঞ্চলে শান্তির আশা নিভে গিয়ে সংঘাত বাড়বে৷ ‘‘এমন সিদ্ধান্ত (জেরুসালেমকে রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি) যে মধ্যপ্রাচ্য তথা বিশ্বকে অস্থিতিশীল করতে পারে অনেকে তা যে বুঝতে পারছেন না, সেটা এটা দুর্ভাগ্যজনক,'' রবিবার কায়রোতে সাংবাদিকদের বলেন তিনি৷ আরব লিগ প্রধান বলেন, তিনি পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে আরব রাষ্ট্রগুলোর অবস্থান কী হবে তা সমন্বয় করা হচ্ছে৷

জেরুসালেমকে রাজধানীর স্বীকৃতির পরিণতি ‘মারাত্মক' হতে পারে বলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে সতর্ক করে দিয়েছে জর্ডান৷ দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আয়মান সাফাদি এক টুইটে জানিয়েছেন, তিনি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসনের কাছে বিষয়টি উত্থাপন করেছেন৷ ‘‘এমন সিদ্ধান্ত আরব বিশ্বে ক্রোধের জন্ম দেবে এবং শান্তি প্রক্রিয়াকে ঝুঁকির মুখে ফেলে দেবে,'' বলেন তিনি৷

এদিকে, হামাস নতুন করে ‘ইন্তিফাদা' শুরুর হুমকি দিয়েছে৷ ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস রবিবার হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়ার সঙ্গে কথা বলেছেন৷ সেই সময় দুই নেতা মার্কিন নীতির সম্ভাব্য পরিবর্তনের বিরোধিতা করতে একমত হন বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে হামাস৷

মার্কিন দূতাবাস তেল আভিভ থেকে জেরুসালেমে সরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সোমবার সিদ্ধান্ত জানাতে হবে৷ প্রতি ছয়মাস পরপর মার্কিন প্রেসিডেন্টকে এমন সিদ্ধান্ত নিতে হয়৷ ১৯৯৫ সালের পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রত্যেক প্রেসিডেন্ট এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার প্রক্রিয়াটি পিছিয়ে দিয়েছেন৷ ট্রাম্পও প্রথমবার প্রক্রিয়াটি পিছিয়ে দিয়েছিলেন৷

জেডএইচ/ডিজি (এএফপি, ডিপিএ)

স্কিপ নেক্সট সেকশন এই বিষয়ে আরো তথ্য

এই বিষয়ে আরো তথ্য