প্রসঙ্গ পহেলা বৈশাখ: আওয়ামী ওলামা লীগ তুমি কার?

আওয়ামী ওলামা লীগ বাংলা নববর্ষের উৎসবকে ইসলাম বিরোধী আখ্যা দিয়ে তা বতিলের দাবি করায় তুমুল সমালোচনার মুখে৷ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের কথায়, ‘‘ওলামা লীগ বাটপারদের সংগঠন, এটা আ. লীগের সংগঠন নয়৷''

শনিবার ঢাকায় এক মানববন্ধন ও সমাবেশে বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখকে ‘ইসলাম বিরোধী' ও ‘অনৈসলামিক' আখ্যায়িত করে তা বাতিলের দাবি জানায় আওয়ামী ওলামা লীগের একাংশ৷ তাদের এই দাবির পর সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়৷ এরপরও অবশ্য ওলামা লীগ তাদের দাবিতে অটল আছে৷ ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুহম্মদ আবুল হাসান শেখ শরীয়তপুরি সোমবার ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘শনিবার প্রেস ক্লাবের সামনে আমিই এই দাবি তুলেছি এবং দাবিতে অটল আছি৷''

আপনি কী ভাবছেন?

এখানে ক্লিক করুন ও আলোচনায় যোগ দিন

তাঁর কথায়, ‘‘পহেলা বৈশাখ হিন্দুদের সংস্কৃতি, মুসলামানদের নয়৷ এই দেশের ইসলাম ধর্মের অনুসারীরা পহেলা বৈশাখের নামে কোনো বেলেল্লাপনা ও বেহায়াপনা মেনে নেবে না৷''

অডিও শুনুন 05:31
এখন লাইভ
05:31 মিনিট
বিষয় | 12.04.2016

‘পহেলা বৈশাখ হিন্দুদের সংস্কৃতি, মুসলামানদের নয়’

তিনি বলেন, ‘‘আমরা আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অনুসারী৷ প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে ২০১৪ সালে হজে পাঠিয়েছেন৷ আমরা যা বলছি তা আওয়ামী লীগের যে নীতি, তার পরিপন্থি নয়৷ শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করতে যখন যাই, তখন তিনিও স্বীকার করেছিলেন যে, আলেম ওলামারাই আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় এনেছেন৷''

এর জবাবে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘ওলামা লীগের সঙ্গে আওয়ামী লীগের কোনো সম্পর্ক নেই৷ ওটা বাটপারদের দল, যারা আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে এ ধরনের দল বা সংগঠন করে৷ তাদের বিরুদ্ধে আমরা প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতে বলেছি৷ আওয়ামী ওলামা লীগের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পুলিশকে বলা হয়েছে৷''

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মিডিয়া বিষয়ক বিশেষ সহকারী মাহবুবুল হক শাকিল এক ফেসবুক পোস্টে বলেছেন, ‘‘ওলামা লীগ! এটা কি খায় না মাথায় দেয়? পহেলা বৈশাখের বিরুদ্ধে যারা কথা বলে তারা আওয়ামী লীগের কেউ না, এ কথা আমি দায়িত্ব নিয়ে বলছি...৷''

অডিও শুনুন 00:30
এখন লাইভ
00:30 মিনিট
বিষয় | 12.04.2016

‘ওলামা লীগের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পর্কে নেই’

তিনি বলেন, ‘‘শেখ হাসিনাই প্রথম সরকার প্রধান, যিনি বৈশাখী ভাতা চালু করেন৷ যে সব অতিবিপ্লবীরা বঙ্গবন্ধুর দল মুসলিম লীগ হয়ে গেছে বলে নাকিকান্না জুড়ে দিয়েছেন, তারা দয়া করে থামুন৷ এই দেশ, বাঙালি সংস্কৃতি এবং মানুষের জন্য শেখ হাসিনার দরদ আমার-আপনার চেয়ে কম নয়৷''

তবে এ সব কথারও জবাব দিয়েছেন ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক৷ তিনি বলেছেন, ‘‘হানিফ সাহেবেরা ব্যক্তিগতভাবে মনে করতে পারেন যে, ওলামা লীগ আওয়ামী লীগের কেউ নয়৷ কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তো কিছু বলেননি৷ শেখ হাসিনা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন৷ তিনি ইসলাম প্রিয়৷ ইসলামের পক্ষেই তাঁর অবস্থান৷ আমরা ওলামা লীগের সদস্যরা জামায়াত-শিবির ও বিএনপিকে মোকাবেলা করেছি৷ আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অনুসারী৷ বঙ্গবন্ধুই কিন্তু মদ, জুয়া, ঘোড়দৌড় নিষিদ্ধ করেছিলেন৷''

এদিকে ওলামা লীগের নববর্ষের উৎসব বিরোধী বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী মোর্চা৷ তারা ঢাকায় প্রতিবাদ সমাবেশ করে সংগঠনটি নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছেন৷

অডিও শুনুন 03:27
এখন লাইভ
03:27 মিনিট
বিষয় | 12.04.2016

‘বাঙালি সংস্কৃতিবিরোধী এই সংগঠন নিষিদ্ধ করতে হবে’

মোর্চার আহ্বায়ক সাংবাদিক ও সম্পাদক আবেদ খান ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘আমরা বাঙালি সংস্কৃতিবিরোধী এই সংগঠন নিষিদ্ধ এবং এর নেতাদের গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি৷ আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে তারা কাজ করছে৷ তাই আওয়ামী লীগেরই উচিত হবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া৷''

ওলামা লীগ ছাড়াও হেফাজতে ইসলাম পহেলা বৈশাখে নারীদের ঘরের বাইরে যেতে বারণ করেছে৷ চরমোনাই-এর পীর বলেছেন, ‘‘পহেলা বৈশাখের নামে ভারতীয় হিন্দুয়ানি সংস্কৃতির আগ্রাসন শুরু হয়েছে বাংলাদেশে৷''

আবেদ খানের কথায়, ‘‘এখনো এ দেশের কিছু মানুষ এবং কিছু গোষ্ঠীর মাথায় পাকিস্তানি ভূত রয়েছে৷ কিন্তু বাস্তবে এই ভূতের কোনো অস্তিত্ব নেই৷ তাই এ সব ভূত টিকতে পারবে না৷''

ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই ঢাকার রমনা বটমূলে শুরু হয় বাংলা বর্ষবরণ৷ ছায়ানটের শিল্পীরা বিশ্বকবির – ‘‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো’’ গেয়ে বাংলা ১৪২১ সালকে স্বাগত জানান৷

বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রায় সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে ছিল লক্ষ্মী পেঁচা, শিশু হরিণ, মা ও শিশু, হাঁস এবং মাছের ঝাঁক; লোক ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে বিড়ালের মুখে চিংড়ি, শখের হাঁড়িসহ মোট ১৩টি বড় ভাস্কর্য৷ এছাড়াও ময়ূর, বাঘের দুইটি বড় মুখোশ, ১০টা ছোট পাখি, প্রায় এক হাজার কাগজে কাটা ছোট মুখোশ, ১০০টি বড় মুখোশ৷

শনিবার ঢাকায় এক মানববন্ধন ও সমাবেশে বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখকে ‘ইসলাম বিরোধী' ও ‘অনৈসলামিক' আখ্যায়িত করে তা বাতিলের দাবি জানায় আওয়ামী ওলামা লীগের একাংশ৷ তাদের এই দাবির পর সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়৷ এরপরও অবশ্য ওলামা লীগ তাদের দাবিতে অটল আছে৷ ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুহম্মদ আবুল হাসান শেখ শরীয়তপুরি সোমবার ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘শনিবার প্রেস ক্লাবের সামনে আমিই এই দাবি তুলেছি এবং দাবিতে অটল আছি৷''

তাঁর কথায়, ‘‘পহেলা বৈশাখ হিন্দুদের সংস্কৃতি, মুসলামানদের নয়৷ এই দেশের ইসলাম ধর্মের অনুসারীরা পহেলা বৈশাখের নামে কোনো বেলেল্লাপনা ও বেহায়াপনা মেনে নেবে না৷''

অডিও শুনুন 05:31
এখন লাইভ
05:31 মিনিট
বিষয় | 12.04.2016

‘পহেলা বৈশাখ হিন্দুদের সংস্কৃতি, মুসলামানদের নয়’

তিনি বলেন, ‘‘আমরা আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অনুসারী৷ প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে ২০১৪ সালে হজে পাঠিয়েছেন৷ আমরা যা বলছি তা আওয়ামী লীগের যে নীতি, তার পরিপন্থি নয়৷ শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করতে যখন যাই, তখন তিনিও স্বীকার করেছিলেন যে, আলেম ওলামারাই আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় এনেছেন৷''

এর জবাবে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘ওলামা লীগের সঙ্গে আওয়ামী লীগের কোনো সম্পর্ক নেই৷ ওটা বাটপারদের দল, যারা আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে এ ধরনের দল বা সংগঠন করে৷ তাদের বিরুদ্ধে আমরা প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতে বলেছি৷ আওয়ামী ওলামা লীগের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পুলিশকে বলা হয়েছে৷''

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মিডিয়া বিষয়ক বিশেষ সহকারী মাহবুবুল হক শাকিল এক ফেসবুক পোস্টে বলেছেন, ‘‘ওলামা লীগ! এটা কি খায় না মাথায় দেয়? পহেলা বৈশাখের বিরুদ্ধে যারা কথা বলে তারা আওয়ামী লীগের কেউ না, এ কথা আমি দায়িত্ব নিয়ে বলছি...৷''

অডিও শুনুন 00:30
এখন লাইভ
00:30 মিনিট
বিষয় | 12.04.2016

‘ওলামা লীগের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পর্কে নেই’

তিনি বলেন, ‘‘শেখ হাসিনাই প্রথম সরকার প্রধান, যিনি বৈশাখী ভাতা চালু করেন৷ যে সব অতিবিপ্লবীরা বঙ্গবন্ধুর দল মুসলিম লীগ হয়ে গেছে বলে নাকিকান্না জুড়ে দিয়েছেন, তারা দয়া করে থামুন৷ এই দেশ, বাঙালি সংস্কৃতি এবং মানুষের জন্য শেখ হাসিনার দরদ আমার-আপনার চেয়ে কম নয়৷''

তবে এ সব কথারও জবাব দিয়েছেন ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক৷ তিনি বলেছেন, ‘‘হানিফ সাহেবেরা ব্যক্তিগতভাবে মনে করতে পারেন যে, ওলামা লীগ আওয়ামী লীগের কেউ নয়৷ কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তো কিছু বলেননি৷ শেখ হাসিনা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন৷ তিনি ইসলাম প্রিয়৷ ইসলামের পক্ষেই তাঁর অবস্থান৷ আমরা ওলামা লীগের সদস্যরা জামায়াত-শিবির ও বিএনপিকে মোকাবেলা করেছি৷ আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অনুসারী৷ বঙ্গবন্ধুই কিন্তু মদ, জুয়া, ঘোড়দৌড় নিষিদ্ধ করেছিলেন৷''

এদিকে ওলামা লীগের নববর্ষের উৎসব বিরোধী বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী মোর্চা৷ তারা ঢাকায় প্রতিবাদ সমাবেশ করে সংগঠনটি নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছেন৷

অডিও শুনুন 03:27
এখন লাইভ
03:27 মিনিট
বিষয় | 12.04.2016

‘বাঙালি সংস্কৃতিবিরোধী এই সংগঠন নিষিদ্ধ করতে হবে’

মোর্চার আহ্বায়ক সাংবাদিক ও সম্পাদক আবেদ খান ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘আমরা বাঙালি সংস্কৃতিবিরোধী এই সংগঠন নিষিদ্ধ এবং এর নেতাদের গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি৷ আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে তারা কাজ করছে৷ তাই আওয়ামী লীগেরই উচিত হবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া৷''

ওলামা লীগ ছাড়াও হেফাজতে ইসলাম পহেলা বৈশাখে নারীদের ঘরের বাইরে যেতে বারণ করেছে৷ চরমোনাই-এর পীর বলেছেন, ‘‘পহেলা বৈশাখের নামে ভারতীয় হিন্দুয়ানি সংস্কৃতির আগ্রাসন শুরু হয়েছে বাংলাদেশে৷''

আবেদ খানের কথায়, ‘‘এখনো এ দেশের কিছু মানুষ এবং কিছু গোষ্ঠীর মাথায় পাকিস্তানি ভূত রয়েছে৷ কিন্তু বাস্তবে এই ভূতের কোনো অস্তিত্ব নেই৷ তাই এ সব ভূত টিকতে পারবে না৷''

বন্ধু, আপনি কী মনে করেন? পহেলা বৈশাখ, মানে নববর্ষের অনুষ্ঠান কি ইসলামবিরোধী? লিখুন নীচের ঘরে৷

বাঙালিকে পরিশুদ্ধ করার উত্‍সব

তোরা সব জয়ধ্বনি কর!

বৈশাখকে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি বাঙালি গেয়ে ওঠে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘‘তোরা সব জয়ধ্বনি কর!/তোরা সব জয়ধ্বনি কর!/ঐ নূতনের কেতন ওড়ে কাল-বোশেখীর ঝড়/তোরা সব জয়ধ্বনি কর...৷’’

বাঙালিকে পরিশুদ্ধ করার উত্‍সব

এসো হে বৈশাখ

ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই ঢাকার রমনা বটমূলে শুরু হয় বাংলা বর্ষবরণ৷ ছায়ানটের শিল্পীরা বিশ্বকবির – ‘‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো’’ গেয়ে বাংলা ১৪২১ সালকে স্বাগত জানান৷

বাঙালিকে পরিশুদ্ধ করার উত্‍সব

সার্বজনীন উৎসব

রমনা বটমূলে নতুন বছরের সূর্য উঁকি দিতেই সমবেত কণ্ঠে নতুন বছরকে বরণ করে নেয়ার অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন সব বয়সের, সব শ্রেণির মানুষ৷ পুরনো বছরের জরা, দুঃখ, পাপ, তাপকে পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়ে শপথ নিয়েছেন তাঁরা৷

বাঙালিকে পরিশুদ্ধ করার উত্‍সব

মঙ্গল শোভাযাত্রা

মঙ্গল শোভাযাত্রার ‘‘জাগ্রত করো উদ্যত করো নির্ভয় করো হে’’ – এই বাণী সব প্রাণের ভয় দূর করে বাঙালির চিত্তকে যেন করেছে ভয়শূণ্য৷ এ উত্‍সবে মিলেছে সব প্রাণ, সব ধর্ম, সব বর্ণ৷

বাঙালিকে পরিশুদ্ধ করার উত্‍সব

সমৃদ্ধির প্রতীক

বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রায় সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে ছিল লক্ষ্মী পেঁচা, শিশু হরিণ, মা ও শিশু, হাঁস এবং মাছের ঝাঁক; লোক ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে বিড়ালের মুখে চিংড়ি, শখের হাঁড়িসহ মোট ১৩টি বড় ভাস্কর্য৷ এছাড়াও ময়ূর, বাঘের দুইটি বড় মুখোশ, ১০টা ছোট পাখি, প্রায় এক হাজার কাগজে কাটা ছোট মুখোশ, ১০০টি বড় মুখোশ৷

বাঙালিকে পরিশুদ্ধ করার উত্‍সব

কাণ্ডারির প্রতীক

হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের দুঃসময়ের কাণ্ডারির প্রতীক হিসেবে এবারের শোভাযাত্রায় স্থান পেয়েছে ‘গাজী ও বাঘ’৷

বাঙালিকে পরিশুদ্ধ করার উত্‍সব

২৬ বছরে মঙ্গল শোভাযাত্রা

বৈশাখ উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ডিন বলেন, ‘‘মঙ্গল শোভাযাত্রার ২৬ বছরে পদার্পণ ও শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে এবারের আয়োজন অন্যবারের চেয়ে দ্বিগুণ৷’’

বাঙালিকে পরিশুদ্ধ করার উত্‍সব

বাঙালিকে পরিশুদ্ধ করে

কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘বাংলা নববর্ষ বাঙালির সার্বজনীন উত্‍সব৷ এই উত্‍সবের রঙ পবিত্র৷ এই উত্‍সব বাঙালিকে পরিশুদ্ধ করে৷ করে জরামুক্ত৷ এছাড়া বাংলা নববর্ষ অশুভকে বিদায় দিয়ে শুভ এবং কল্যাণের দিকে আহ্বান জানায়৷’’

বাঙালিকে পরিশুদ্ধ করার উত্‍সব

সংস্কৃতি আর ঐতিহ্যের মিশেল

বাঙালির আবহমান সংস্কৃতি আর ঐতিহ্য মিশে আসে এই বাংলা বর্ষবরণের সঙ্গে৷ এই উত্‍সব বাঙালিকে তার আত্ম পরিচয়ের সন্ধান দেয়৷

বাঙালিকে পরিশুদ্ধ করার উত্‍সব

বসেছে মেলা

নববর্ষকে ঘিরে বৈশাখী মেলার আয়োজন বসেছিল৷